সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আমার দেখা একজন সৈয়দ মিজানুর রহমান

তানভীর হাসান নাবিল

আমার দেখা একজন সৈয়দ মিজানুর রহমান
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন। ছাত্রলীগের ইতিহাস গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যে মন্ডিত। দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার্থে প্রত্যেকটি আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়। রাজপথে সক্রিয় সংগঠনের সক্রিয় তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ হচ্ছে ‘ঢাকা মহানগর উত্তরের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান’। যিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত । কি সামাজিক,আর কি রাজনৈতিক সব দিকেই তার পদাচারণ, দলের বিপদের সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন, দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দলের দুঃসময়ে দলের সাথে থেকেছেন। তার জন্মস্থান ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বাহাদুরনগর গ্রামে ১৯৮৭ সালের ২৫ মে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ।নান্দাইলের ছোট্ট গ্রাম থেকে উঠে আসা মিজান, আজ হাজারো তরুনকে স্বপ্ন দেখান। বয়স যখন সাড়ে চার বছর, তখনই জয় বাংলা স্লোগান শুনতে শুনতে বড় হয়েছেন, পিতা হাজী আব্দুস সোবহান,মাতা হাজী আছিয়া খাতুনের ৪র্থ সন্তান তিনি। পরিবারের ভাই বোনদের মধ্যে, তিনি চতুর্থ। গ্রামের মক্তবে ধর্ম শিক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষা জীবন শুরু, পরে তিনি বাহাদুর নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে, চলে আসেন ঢাকায় ।ধার্মিক পরিবারে জন্মগ্রহণ এর কারণে পারিবারিক আগ্রহের কারণেই তিনি মাদ্রাসা বোর্ড হইতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হোন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকর্ম বিভাগে সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন, পাশাপাশি মানব সেবায় মৌনবৃত্তি নিয়ে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে DHMS পাশ করেন, এছাড়া সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে আইন বিষয়ে আধ্যায়ন করেছেন এখনো, ছাত্রলীগ মেধাবীরাই করে সৈয়দ মিজান তার অকাট্য প্রমান। তবে ছাত্রলীগের হাতেখড়ি ঘটেছে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে। তেজগাঁও এসএসসি পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০০২ সালে তেজগাঁও ছাত্রলীগ থানার প্রচার সম্পাদক হন, ধীরে ধীরে তেজগাঁও রেলগেট ওয়ার্ড ছাত্রলীগের ইউনিটের সভাপতির দায়িত্ব পান। সেখান থেকে ২০০৫ সালে ৩১ ডিসেম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক। তখন অবশ্য বিএনপির শাসন আমল। এরপর থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির মেম্বার, থানা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।
এর শতবাধা বিপত্তি চড়াই উতরাই পার হয়ে, ২০১১ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন, এরই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক ত্যাগ তিতিক্ষার পুরুষ্কার স্বরুপ, ২০১৫ সালে সম্মেলনের মধ্যদিয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
এরপর অনেক শ্রম ঘাম দিয়ে মহানগর ছাত্রলীগকে করে তুলেছেন আগের থেকে অনেক শক্তিশালী, তারই ধারাবাহিকতা ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ আজ পরিপক্ব, যেকোন দুর্যোগ মেকাবেলায়, দেশরত্নের ভ্যানগার্ড হিসাবে উত্তর ছাত্রলীগ আজ যথেষ্ট শক্তিশালী। তিনি শুধু রাজনীতিতে না সামাজিক কাজের দিক দিয়েও অনেক এগিয়ে। করোনা এই ক্রান্তিকালে সবাই যখন ঘরে বসে, তিনি নিজ দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন, করোনার প্রথম দিন থেকেই ঢাকা শহরের প্রত্যেক অলি-গলিতে তিনি তার স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা জীবাণুনাশক স্প্রে করিয়েছেন, এখন পর্যন্ত উনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে, এছাড়াও ত্রান বিতরন সহ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, অন্যান্য সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃতে লোক চক্ষুর আড়ালে। একজন মানুষের পরিপূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে সমাজিক কর্মকা- সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
তাই তিনি এদেশের শিশুদের মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যেই ‘শিশু প্রতিভা বিকাশ’ কেন্দ্র চালিয়ে যাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আমি ম। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ‘শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর, এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর (২০১৯) এই সংগঠনের মাধ্যমে ১১টি সেন্টারে ৭৪০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। তাছাড়া প্রতিবছর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবাও দিয়েছে সংগঠনটি। গরীব ও অসহায় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র’র এই কার্যক্রম। প্রতিমাসে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত ক্যাম্পাসভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা কলেজ ক্যাম্পাস এর প্রকাশক হিসাবে কাজ করছেন।
“ইতিহাসের অকাট্য দলিল” নামে ইতিমধ্যে তিনি একটি বইও লিখেছেন। বইটিতে, ৫২’র ভাষা আন্দোলনে সে সময়কার শহীদ হওয়া ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের অবদান,যা কখনোই ভুলে যাবার নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ছাত্রাবস্থায় এ সংগঠনের কর্মী ছিলেন। ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সক্রিয় অবদান রেখেছেন তার ইতিহাস এবং ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ছাত্রলীগের উত্থান পতনের বৈচিত্র্য সবই রয়েছে বইটিতে। রয়েছে বর্তমান পর্যন্ত সংগঠনের নানা বাস্তবতার চড়াই উৎরাই নিয়েও বিশ্লেষণ। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত নেতৃত্বদানকারী সকল সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ছবি সহ সংক্ষেপে পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে, যা নতুন প্রজন্মকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিবে
। বইটিতে ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা, মনোগ্রাম,দলীয় সংগীত রচনা, এবং বঙ্গবন্ধু ও জয়বাংলা শব্দের উৎপত্তির ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। কর্মীদের কাছে তিনি অনেক জনপ্রিয়, কর্মীদের কাছে তিনি ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। এখনো হাজারো কর্মীর ভরসাস্থল তিনি। জননেত্রী শেখ হাসিনা কখনো রত্ন চিনতে ভুল করেন না, সৈয়দ মিজানুর রহমান তার অকাট্য দলিল।দলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, নেত্রীর প্রতি কমিটমেন্ট,মুজিব আদর্শে বুকে ধারন করে এগিয়ে চলেছেন স্বমহিমায়।
শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: