বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ইংরেজি মাধ্যমের সকল স্কুল নিবন্ধনের নির্দেশ

ইংরেজি মাধ্যমের সকল স্কুল নিবন্ধনের নির্দেশ

বিদেশি পাঠ্যক্রমে পরিচালিত দেশের ইংরেজি মাধ্যমের সকল বিদ্যালয় নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও শিক্ষা বোর্ডগুলো এবং মাউশির নয়টি আঞ্চলিক উপপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে এই ধরনের নিবন্ধিত ও নিবন্ধনবিহীন কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে, তার তথ্যও জানানো বলা হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই) শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত বেসরকারি বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা অনুসারে নিবন্ধন ফি জমা দিয়ে বিদ্যালয়গুলোকে নিবন্ধন যথাযথ কর্তৃপক্ষের (সাধারণ শিক্ষা বোর্ড) কাছ থেকে নিবন্ধন সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

অভিযোগ আছে, বেশির ভাগ বিদ্যালয়ই নিবন্ধন না করে নিজেদের মতো করে চলছে। এতে কোনো জবাবদিহি থাকছে না। আবার প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর প্রকৃত তথ্যও সরকারের হাতে থাকে না। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ একটি তথ্য বলছে, দেশে ১৪৫টি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সাড়ে ১১ হাজারের মতো শিক্ষার্থী পড়ছে। কিন্তু বাস্তবে এ সংখ্যাটি আরও বেশি। এসব বিদ্যালয়ের বিষয়ে ২০১৭ সালে একটি নিবন্ধন বিধিমালা হলেও সেটি প্রর্কৃতপক্ষে কার্যকর হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাপত্রে বিধিমালার ১৯ (৩) ধারাটি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, বেসরকারি বিদ্যালয়ে সহপাঠ কার্যক্রম পরিচালনা, কোনো বিশেষ সুবিধা এবং উন্নত মানের যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তি–সুবিধা ব্যবহারের জন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফি আদায় করা যাবে, তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ ব্যয় বিবরণী অভিভাবকদের লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।

এ ছাড়া নির্দেশনাপত্রে, সাময়িক নিবন্ধন আবেদন ফরমে প্রতি মাসে বা বছরে শ্রেণিভেদে আদায় করা টিউশন ফি, ভর্তি ফি, খেলাধুলা ফি, গ্রন্থাগার ফি, টিফিন ফি, মুদ্রণ ফি এবং অন্যান্য ফির পরিমাণ ও বিবরণী উল্লেখ করার নিয়ম আছে বলেও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: