শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

উপাচার্য -কোষাধ্যক্ষ পদ শূন্য হচ্ছে ইবির!

উপাচার্য -কোষাধ্যক্ষ পদ শূন্য হচ্ছে ইবির!
রুমি নোমান, ইবি প্রতিনিধি : ২০১৬ সালের এই ২১ শে আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ তম  উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছিলেন অধ্যাপক রাশিদ আসকারী।  একইসাথে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান অধ্যাপক সেলিম তোহা। চার বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় আজ থেকে শূন্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ। গতকালই ছিলো তাদের শেষ কার্যদিবস। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ৪২ বছরের ভেতর এই প্রথম বারের মতো উপাচার্য পদের মেয়াদ পূর্ণ হলো। ফলে, ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, কে হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী কর্ণধার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপাচার্য হওয়ার জন্য দ্বিতীয় মেয়াদেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক রাশিদ আসকারী।  মেয়াদের শেষের দিকে এসে দূর্নীতি ও অনিয়মের নানান অভিযোগ উঠলেও পুনঃ মেয়াদে তার নিয়োগ পাওয়া, সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন তার অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
এছাড়া, বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
পিছিয়ে নেই বর্তমান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম তোহাও। মেয়াদ পূর্ণ করায় আইন বিভাগের এই জ্যেষ্ঠ  শিক্ষক এ পদের জন্য জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরো কয়েকজন শিক্ষক জোর লবিং চালিয় যাচ্ছেন বলে জানাগেছে। তন্মধ্যে  সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের, যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এ সাত্তার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নাসিম বানু, আইন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক রেবা মন্ডলের নাম উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকেও একাধিক শিক্ষক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খোঁজ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজম্যান্ট বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আফজাল হোসেন, গণ যোগাযোগ ও  সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আইনুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শাহ আজম শান্তনুর নাম  উল্লেখযোগ্য।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝেও এ নিয়ে শুরু হয়ে গেছে নানান জল্পনা-কল্পনা। কেমন উপাচার্য চান এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী স্নিগ্ধা আফরিন জানান, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কে বেগবান করবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতীশিলতার চর্চা কে সমুন্নত রেখে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখবেন আমরা তাকেই উপাচার্য হিসেবে চাই।
এদিকে পদ দুটি শূন্য হলেও উপ-উপাচার্য পদের মেয়াদ সহসাই শেষ হচ্ছে না। আগামী ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত এ পদের মেয়াদ বিদ্যমান রয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আবদুল লতিফ জানান, “আজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের  এ অতি গুরুত্বপূর্ন পদ দুটি শূন্য হয়ে যাচ্ছে। মাননীয় আচার্য পরবর্তী নিয়োগ কিংবা ইউজিসির কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ পদ দুটি ফাঁকা থাকবে।”
শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: