সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

এন্ড্রু কিশোরের না গাওয়া গানটি গাইবেন পরান সুফী আহসান

এন্ড্রু কিশোরের না গাওয়া গানটি গাইবেন পরান সুফী আহসান

দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে হেরে গেলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। সোমবার (০৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মারা গেছেন এই খ্যাতিমান শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে ইচ্ছে থাকলেও আর নতুন গান গাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি এই প্লেব্যাক সম্রাটের । তবে, “একটা ঘরের ঠিকানা পেয়েছি আমি, শুনেছি এ ঘরের চেয়ে অনেক খানি দামি। ও ঘরে থাকতে হবে একা একাই জানি।” প্রখ্যাত গীতিকার-সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইথুন বাবুর কথা ও সুরে এমনই আবেগ ভরা কথার একটি গান গাওয়ার কথা ছিলো সুরের জাদুকর এন্ড্রু কিশোরের। কিন্তু গাওয়া আর হয়ে উঠেনি। এই গানটিই এবার রিলিজ পাবে পরান সুফি আহসান’র কন্ঠে। সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানালেন, জনপ্রিয় গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক ও সংগীত শিল্পী ইথুন বাবু ।

ইথুন বাবু জানান, এন্ড্রু কিশোর দার এই গানটা গাইড ভয়েস দিয়েছিল পরান। দাদা স্টুডিওতে এসেও গানটি গাইতে পারেননি। তার কয়েকদিন পর থেকেই দাদা অসুস্থ । তারপরের ইতিহাস সবাই জানেন। দাদা সিঙ্গাপুর থেকে আমার সাথে ফোন করে যখন কথা বলতো এক ফাঁকে বলেছিলেন, বাবু রে আমি যদি গানটা গাইতে না পারি, তুই কিন্তু পরান কে দিয়ে এই গানটা গাওয়াবি। গানের সম্রাট কে মনে রেখে পরান তার গায়কীতে উৎসর্গ করতে যাচ্ছে অভিভাবক এন্ড্রু কিশোর কে এই গানটি। এক প্রসঙ্গে ইথুন বাবু শিক্ষাবার্তা ডট কম কে জানান, দাদার (এন্ড্রু কিশোর) ফেলে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করাই এখন আমার চিন্তা-চেতনা। যদি আমার উপর অর্পিত দাদার দেয়া দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালন করতে পারি তবেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করবো। রাজশাহীতে এন্ড্রু কিশোরের শেষকৃত্য ছিলো ১৫ জুলাই। হিমঘর থেকে রাজশাহী সিটি চার্চে, সেখান থেকে কালেক্টরেট মাঠের পাশে খ্রিষ্টান কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন তিনি।এই শহরে তাঁর প্রথম নিশ্বাস, এই শহরেই শেষ। রাজশাহী থেকে ঢাকা, সেখান থেকে বাংলা গানের পঙ্খিরাজে চেপে সারা পৃথিবীর বাংলাভাষীদের হৃদয় ভ্রমণ শেষে কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর, বাংলার অমর প্লেব্যাক-সম্রাট পাড়ি দিয়েছেন অন্য ভুবনে। আবহমান বাংলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ভালোবাসার শিল্পী এন্ড্রু কিশোর ।

কি বুদ্ধিজীবী কী রাজনীতিবিদ কি আমজনতা – সবধরণের বাঙালির কাছে প্রিয় একটি নাম কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর । এই বিপুল জনপ্রিয়তার কারণও আছে । রোমান্টিক, দেশাত্মবোধক, চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক, ফোক, মর্ডান ফোক, ক্লাসিক- সবধরণের গানে দরাজ গলার মহিমা ছড়িয়েছেন বাঙালির প্রাণের শিল্পী এন্ড্রু কিশোর । পনেরো হাজারেরও বেশি গান এই মহান শিল্পীকে এনে দিয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা । স্বভাবসুলভ সরলতা আর নিরহংকার ব্যক্তিত্ব তার শিল্পীসত্তাকে গণমানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে ।

এন্ড্রু কিশোর প্রাথমিকভাবে ওস্তাদ আবদুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে সংগীতের পাঠ শুরু করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোকসংগীত, দেশাত্মবোধকসহ প্রায় সব ধারার গানে কণ্ঠ দেন রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী হিসেবে। চলচ্চিত্রে এন্ড্রু কিশোর গান গাওয়া শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। ‘মেইল ট্রেন’ ছবিতে তিনি গেয়েছিলেন ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানটি। চলচ্চিত্রে এটাই ছিল তাঁর প্রথম গান। সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন আলম খান। কিন্তু এন্ড্রু কিশোর সবার কাছে পৌঁছে যান দুই বছর পর। তাঁর গানটি ছিল ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা গানটির সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন আলম খান।

দীর্ঘদিন পুরোদস্তুর পেশাদার কণ্ঠশিল্পী হিসেবে দুই বাংলায় গান করেছেন এন্ড্রু কিশোর। একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: