শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

মুজিববর্ষ উপলক্ষে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে সস্ত্রীক বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে তুরস্কের আঙ্কারা মিশনের বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স উদ্বোধনকালে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ভবন উদ্বোধন করেন।

চান্সারি ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগলু।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি আশা করি শিগগির তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসবেন। একই সঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও আসবেন। এছাড়াও আমি বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাই বর্তমান প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে। আমি বিশেষভাবে আশাবাদী তিনি আমাদের বাংলাদেশ সফর করবেন। একই সঙ্গে আমি আরও আশাবাদী, তার সঙ্গে ফার্স্ট লেডিও (এমিনা এরদোগান) আসবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে দু’দেশের সম্পর্কের ইতিহাস, বিশ্বাস এবং ঐতিহ্যের গভীর ভিত্তি রয়েছে। বাংলাদেশ দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সাথে তার সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

এসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আমন্ত্রণে ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল আঙ্কারা সফরের কথা স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছর আগে ১৯৭৪ সালে শুরু হয়েছিল।

সরকার এবং তার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন প্রদানের জন্য সরকার ও তুরস্কের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের সমর্থনের জন্য আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এটি প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে, আমি মনে করি রোহিঙ্গা জনগণকে তাদের নিজের দেশে ফিরে যেতে হবে। আমার মনে হয়, তুরস্ক এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

করোনা মহামারি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এটি বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।

বাংলাদেশে আমরা ভাইরাসটির বিস্তার সফলভাবে রোধ করতে সক্ষম হয়েছি। একই সাথে আমাদের সময়োপযোগী এবং যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রণোদনা প্যাকেজগুলো মারাত্মক রোগের বিপর্যয়কর প্রভাব হ্রাস করেছে, বলেন তিনি।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: