রবিবার, ০৭ Jun ২০২০, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

করোনায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

করোনায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রফতানি খাতসহ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থায়। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ সহায়তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পর জন্যও নীতি সহায়তা প্রয়োজন।

করোনার প্রকোপ ঠেকাতে সাধারণ ছুটিতে গৃহবন্দী থাকতে হবে সারাদেশের মানুষকেই। জীবনযাত্রায় এই স্থবিরতা আভাস দিচ্ছে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ক্ষতির। এরইমধ্যে সবচেয়ে তৈরি পোশাক শিল্পে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি কার্যাদেশ বাতিল হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে চলতি অর্থবছরে ১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হারাবে বাংলাদেশ। চাকরি হারাবে অন্তত ৯ লাখ মানুষ। সঙ্কট মোকাবিলায় বেতন ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছে সরকার। ব্যবসায়ীরা ছয় মাস ঋণ পরিশোধ না করলেও খেলাপি হবেন না।

বিকেএমইর প্রথম সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, মার্চ, এপ্রিল ও মে এই তিন মাস বেতন ভাতা দেয়ার অবস্থা আমাদের করে দেন। সেই সঙ্গে আগামী ছয় মাস লাভসহ বন্ধ থাকবে। এটা না হলে কোনো ধরনের কার্যকারিতা থাকবে না।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছে সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। অন্যদিকে রিজার্ভ কাজে লাগিয়ে ১ শতাংশ সুদে তহবিল গঠন, অগ্রিম কর ও ভ্যাট মওকুফের পরামর্শ দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ডিসিসিআই।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দিতে না পারলে হুমকির মুখে পড়বে প্রান্তিক মানুষ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম এ মাসুম বলেন, ছোট যারা উদ্যোক্তা যারা এনজিওগুলো থেকে ঋণ নেয়। সেই এনজিওগুলোকে একটা বাউন্ডারি দিয়ে দেয়া; যাতে একটা নির্দিষ্ট রেট ছাড়া এর বেশি লাভ তারা না নিতে পারে।

আগামী বাজেটের জন্য তৃণমূলের মানুষকে রক্ষায় কম প্রয়োজনীর প্রকল্প বাদ দিয়ে সামাজিক সুরক্ষায় বেশি ব্যয় করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: