শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৭ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কারওয়ান বাজার থেকে কিনে নিয়ে ‘বিলের মাছ’ বলে বিক্রি!

কারওয়ান বাজার থেকে কিনে নিয়ে ‘বিলের মাছ’ বলে বিক্রি!
Photo Credit To রাজধানীর কারওয়ান বাজার মাছের আড়ত থেকে বিভিন্ন ধরনের মাছ কিনে ডালি সাজিয়ে পরে সেগুলো বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে হাওড় বা বিলের মাছ বলে বিক্রি করা হয়।

ঢাকা শহরে বেশির ভাগ কর্মব্যস্ত মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে থাকে এলাকার হকারদের কাছ থেকে। অনেকে মাছ কেনে ফেরি করে যাঁরা বিক্রি করেন তাঁদের কাছ থেকে। ফেরি করে মাছ বিক্রি করেন দুই শ্রেণির লোক। এঁদের বেশির ভাগই বিক্রি করেন অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলে করে। আবার দু-একজন আছেন যাঁরা ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করেন। এই ভ্যানের ওপরে থাকে বেশ বড় একটা বাঁশের তৈরি ডালা। এই ডালায় পাঁচ-ছয় পদের মাছ মেশানো থাকে। এগুলোকে তাঁরা বলেন পাঁচমিশালি মাছ। এসব মাছ তাঁরা তুলনামূলকভাবে বেশি দামে বিক্রি করেন। কারণ তাঁদের দাবি, এসব মাছ ঢাকা শহরের আশপাশের বিল থেকে ধরা। এই যেমন কেউ বলেন আড়িয়ল বিলের মাছ, কেউ বলেন ভৈরবের নদীর মাছ, কেউ বলেন কুমিল্লার মাছ, এভাবেই চলে তাঁদের প্রতারণা।

সকাল ৬টা ৩০ মিনিট : রাজধানীর কারওয়ান বাজার মাছের আড়ত। চারদিকে কর্মব্যস্ত মানুষ। কারণ মাছের বাজারটি খুব অল্প সময়ের জন্য থাকে, সকাল ৮টার মধ্যে মোটামুটি বেচাবিক্রি শেষ। ৯টার সময় এখানে এলে দেখা যাবে একেবারেই সুনসান, মনে হবে না যে এক ঘণ্টা আগে এখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মচঞ্চল একটি মাছের আড়ত ছিল।

কেউ মাছ কিনছেন, কেউ বিক্রি করছেন, কেউ মাছ কিনে গাড়িতে বা রিকশায় তুলছেন। যাঁরা বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট বা বাসাবাড়ির জন্য মাছ কিনছেন, তাঁরা এখান থেকে কেটে নিয়ে যান। এখানে যাঁরা মাছ কাটেন তাঁরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই ব্যস্ততার মধ্যে মাছের আড়তের উল্টোদিকে বিজিএমইএ ভবনের সামনের ফুটপাতের পাশে কয়েকজন লোক ভ্যানের ওপর মাছের ডালা নিয়ে কী যেন করছেন। কাছে যেতেই দেখা যায়, তাঁরা ডালায় মাছ সাজাচ্ছেন। আড়ত থেকে কেনা টাকি, পাবদা, কালিবাউস, বোয়ালসহ বিভিন্ন মাছ বাঁশের তৈরি ডালা বা টুকরিতে সাজানো হচ্ছে। প্রথমে তাঁরা টুকরির ভেতর বড় একটি পলিথিন দেন, এরপর পলিথিনের ওপর কিছু বরফ দিয়ে কয়েক কেজি পাবদা মাছ তার ওপর সাজিয়ে দেন। তারপর এক এক করে কয়েকটা কালিবাউস, কিছু টাকি ও দু-তিনটা বোয়াল আর কিছু টাটকিনি মাছ রাখা হয়। এভাবে তাঁরা আস্তে আস্তে ২০ থেকে ৩০ কেজি মাছ ডালায় সাজিয়ে ফেলেন। সব শেষে তাঁরা জীবিত কয়েকটি কই ও শিং মাছ ওপরে দিয়ে রাখেন। তাঁরা যখন মাছ সাজাতে ব্যস্ত তখন রেজাউল করিম নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে এসব মাছ কোথায় বিক্রি করবেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, ‘আমরা একেক দিন একেক এলাকায় যাই।’ একদিন মগবাজার তো অন্য দিন রামপুরা, এভাবেই তাঁরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাছ বিক্রি করেন। তাঁরা যখন বিভিন্ন এলাকায় এই মাছ বিক্রি করেন তখন এগুলো আর কারওয়ান বাজারের মাছ থাকে না। হয়ে যায় ঢাকার আশপাশের বিল বা নদীর মাছ!

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: