সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

গণরুম বাদ ও বহিরাগত তাড়িয়ে খুলবে হল

ঢাবির হল খোলার প্রস্তুতি

গণরুম বাদ ও বহিরাগত তাড়িয়ে খুলবে হল

করোনা মহামারিতে বন্ধ থাকা ক্যাম্পাস কিভাবে খোলা যায় তা নিয়ে ভাবছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে গত ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষদভুক্ত ১৩টি ছাত্রসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে আবাসিক হল খোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রমের বিষয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়। হল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইন ক্লাসে বৈষম্য কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। হল খুলে দিতে প্রাধ্যক্ষদের নিয়ে একটি প্রভোস্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার একটি গাইডলাইন তৈরি করবে। পরিবেশ সন্তোষজনক হলেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে খুলে দেওয়া হবে হল। পরিবেশ ফেরাতে হলে গণরুম বন্ধ এবং বহিরাগতদের উচ্ছেদ করা হবে।

প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলছেন, হলে পর্যাপ্ত আসন না থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় অর্ধেক আবাসিক হলে থাকেন। এই শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ২০টি আবাসিক হল। আসনের চেয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা ছোট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে বাস করেন। এসব কক্ষ গণরুম নামে পরিচিত। যে কক্ষে দুজন শিক্ষার্থী থাকার কথা, সেখানে থাকছেন আট থেকে ১০ জন। মেঝেতে বিছানা পেতে রাতে এসব কক্ষে অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় আবাসিক হলগুলোয় ঝুঁকি বাড়ল। করোনা পরিস্থিতিতে গণরুম বা গাদাগাদি করে বাস করার সুযোগ নেই। ফলে আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। না হয় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেই যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্যাম্পাস খোলার আগে আবাসিক হলগুলো খুলে দিতে হলে আগের মতো আর গণরুম রাখা যাবে না। গাদাগাদি করে কোনো শিক্ষার্থী হলে থাকতে পারবেন না। যেসব শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে, তাদের হল ছাড়তে হবে। বহিরাগতদেরও হল ছাড়তে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির পরই হলগুলো খুলে দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের খসড়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হলের কোনো কক্ষের মেঝেতে ঘুমানো যাবে না। দুই সিটের কক্ষে

সর্বোচ্চ চার আর চার সিটের কক্ষে সর্বোচ্চ আটজন থাকতে পারবেন। বহিরাগত কাউকে কক্ষে অবস্থান করতে দেওয়া যাবে না। কক্ষের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। কক্ষ ও কক্ষের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। হলের ডাইনিং, ক্যান্টিন, রিডিং রুম, অডিটরিয়াম, মেস, দোকান, সেলুন, টিভি রুম, অতিথি কক্ষ, পাঠাগার, মসজিদ ও উপাসনালয়ে ভিড় করা যাবে না। সভা-সমাবেশ, রেস্তোরাঁ ও গণপরিবহন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

ক্যাম্পাস কবে নাগাদ খুলবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত না হলেও আবাসিক হলের পরিবেশ ফিরিয়ে এনে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশা করা হচ্ছে, আগামী নভেম্বরে ক্যাম্পাস খোলা হতে পারে। এমন লক্ষ্যমাত্রা ধরেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারি নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন।

আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে আবাসিক হলগুলো প্রস্তুত করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রভোস্ট কমিটির সদস্যসচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রাব্বানী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আবাসিক হল ও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সে অনুযায়ী একটি গাইড লাইন তৈরি করা হচ্ছে। কোনো হলে গণরুম কিংবা অছাত্র থাকতে পারবে না। করোনাকালে হল খুললে যে ঝুঁকি, তার অগ্রগতি ও বিশেষজ্ঞদের মতামত সাপেক্ষে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। হলগুলোয় ২০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী থাকে। তাঁদের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই হল খোলা হবে।’

চলতি বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়। ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় বাড়ানোর পর সর্বশেষ ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। গত ২০ মার্চ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই দিন সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হল।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: