বুধবার, ০৩ Jun ২০২০, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

চীনে বিদেশি প্রবেশ নিষিদ্ধ

চীনে বিদেশি প্রবেশ নিষিদ্ধ

শেয়ার করুন

চীন থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে পুরো বিশ্বেই। সেখানে ভাইরাসটি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও বাড়ছে অন্যান্য দেশে। গত এক সপ্তাহে চীনে অভ্যন্তরীণ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা একের ঘরে। কিন্তু দেশের বাইরে থেকে চীনে আসা যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই এই রোগ নিয়ে আসছে। ফলে সেখানে আবারও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় সংক্রমণ ঠেকাতে চীনে বিদেশি প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। শুক্রবার রাত থেকে চীন কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই ভাইরাসের কেন্দ্রস্থল ছিল চীনের উহান নগরী। পরে ধীরে ধীরে চীন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফল হয়। কিন্তু বর্তমানে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশ ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সের।

চীনে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বর্তমানে অনেক কম। কিন্তু তারপরও প্রিায় প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্তের খবর আসছে। তবে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তারা মূলত বিদেশফেরত নাগরিক। তাদের মাধ্যমেই দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় মহামারি শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাই এবার করোনার সংক্রমণ পুরোপুরি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে বিদেশিদের প্রবেশে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন। শুক্রবার রাত থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নিষেধাজ্ঞা।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বসবাসের অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশিরাও আপাতত চীনে প্রবেশ করতে পারবেন না। সব ধরনের ভিসামুক্ত ট্রানজিট সুবিধাও স্থগিত করা হয়েছে।

তবে কূটনীতিক, অর্থনৈতিক প্রয়োজন, ব্যবসা, বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিগত কাজে যোগ দেয়া এবং জরুরি মানবিক প্রয়োজন থাকলে তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবেন।

‘সি’ ভিসাধারীরা নিষেধাজ্ঞা চলাকালে চীনে প্রবেশ করতে পারবেন। সাধারণত আন্তর্জাতিক পরিবহন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বিদেশিদের এই ভিসা দেয়া হয়।

এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীনে করোনার প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি এবং অন্যান্য দেশের প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা দিতে বাধ্য হয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, চীন থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বে। সেখানে ভাইরাসটি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও অন্যান্য দেশে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৭৮৯ জন। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৪ হাজার ১৩৬ জনে। এর মধ্যে চীনে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৯২। চীনের বাইরে মারা গেছে ২০ হাজার ৮৪৪ জন।

বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০ হাজার ৭৬৪ জনসহ আক্রান্ত হয়েছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩১ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৫১ জন সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছেন। চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ৩৪০ জন। এছাড়া চীনের বাইরে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৫৫ হাজার ৯৯১ জন।

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৭৪৪ জন আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২০ জনের অবস্থা সাধারণ। ১৯ হাজার ৭২৪ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিউতে রয়েছেন।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান ড. টেড্রস আধানম গেব্রেয়াসুস অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারগুলো এই বৈশ্বিক মহামারি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি সরকারগুলোকে নিজ নিজ দেশের করোনাভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস পৃথিবীজুড়ে অদ্ভুত এক আঁধারের ছায়া নিয়ে এসেছে। চারিদিক নিরব, নিস্তব্ধ। কেউ কারও সাথে মিশছে না বা চাইছে না। যেন সবাই সবাইকে এড়িয়ে যেতে পারলেই বাঁচে। ‘বিশ্ব গ্রাম’ ধারণায় মানুষ অনেক বছর ধরেই একাকি জীবনের অভ্যস্ত হয়ে উঠছিল। কিন্তু এতটা একাকি হয়তো তারা কখনোই হয়নি। যে চাইলেও তারা একে অন্যের সাথে দেখা করতে পারবে না। সবাই যেন এক যুদ্ধ কেন্দ্রীক জরুরি অবস্থায় রয়েছে।

এক করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বকেই যেন স্তব্ধ করে দিয়েছে। অধিকাংশ দেশেই রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালত, শপিংমল-মার্কেট, রেস্তোরাঁ-বার ফাঁকা। যেন সব ভূতুড়ে নগরী, যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা চলছে। সবার মধ্যে ভয়, আতঙ্ক আর আশঙ্কা।

উহান, চীনের শিল্পোন্নত এই শহর থেকেই প্রথম করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ভাইরাসটি প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও চীনের বাইরে ব্যাপক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।

চীনে উদ্ভূত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৯টি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এ রোগের কোনো উপসর্গ যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসকষ্টের সঙ্গে কাশি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জনবহুল স্থানে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে।

শেয়ার করুন:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares
%d bloggers like this: