সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভূগছিলেন।

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় লাখো ভক্তকে কাঁদিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন টবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কিংবদন্তি এই গায়ক।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে এন্ড্রু কিশোর ৯ মাস পর গত গত ১১ জুন রাত দেশে ফিরেন। এরপর মিরপুরের বাসায় ছিলেন। পরবর্তীতে চলে যান রাজশাহীতে। যদিও তখনও তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলো না।

শারীরীক অবস্থার উন্নতি না হওয়াতেই সিঙ্গাপুর থেকেই চিকিৎসকরা তাকে দেশে নিয়ে যেতে বলেন। শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে এন্ড্রু কিশোর অসুস্থ অবস্থায় গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছিলেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে নন-হজকিন লিম্ফোমা নামের ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক লিম সুন থাইয়ের অধীনে তার চিকিৎসা শুরু হয়। কয়েক মাস ধরে সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা চলে।

এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ জোগাতে এন্ড্রু কিশোর বিক্রি করে দেন রাজশাহী শহরে তার কেনা ফ্ল্যাটটি। শিল্পীর পরিবারের পাশাপাশি সংগীতশিল্পী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসীরা এগিয়ে এসেছিলেন। এন্ড্রু কিশোরের এক ছেলে ও এক মেয়ে। তারা দুজনেই অস্ট্রেলিয়া থাকেন। মেয়ে মিনিম এন্ড্রু সংজ্ঞা সিডনিতে গ্রাফিকস ডিজাইন ও ছেলে জে এন্ড্রু সপ্তক মেলবোর্নে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়াশোনা করছেন। নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয গান তিনি উপহার দিয়েছেন। তাকে বলা হতো প্লেব্যাকের মুকুটহীন সম্রাট।

বাংলা গানের এই কিংবদন্তি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সুরের জাদুতে সংগীতপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিলেন। প্রাথমিকভাবে আব্দুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে সংগীতের পাঠ শুরু করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, কিশোর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোক ও দেশাত্মবোধকসহ প্রায় সব ধারার গানে রাজশাহী বেতারে তালিকাভূক্ত হন। তার চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের ‘ধুম ধারাক্কা’। তবে ১৯৭৯ সালে এ জে মিন্টু পরিচালিত ‘প্রতীজ্ঞা’ চলচ্চিত্রের তার গাওয়া ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

এন্ড্রু কিশোরকে এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় গান তিনি উপহার দিয়ে গেছেন চলচ্চিত্রে। চলচ্চিত্রের বাইরেও অডিওতেও তিনি উপহার দিয়েছেন অনেক শ্রোতাপ্রিয় গান। বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদান রাখার জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুষ’, ‘আমার বুকের মধ্যেখানে’, ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’, ‘সবাইতো ভালোবাসা চায়’, ‘বেদের মেয়ে জোছনা’, ‘তুমি আমার জীবন’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না’, ‘এখানে দুজনে নিরজনে’, ‘ও সাথীরে’সহ অসংখ্য গান।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: