বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

দ্বিতীয় দফায় স্থগিত হলো চসিক নির্বাচন

দ্বিতীয় দফায় স্থগিত হলো চসিক নির্বাচন

করোনার কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। ফলে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে অর্থাৎ চলতি মেয়াদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না।

মঙ্গলবার ইসির সিদ্ধান্তটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে- দেশে করােনা ভাইরাস সংক্রমণজনিত কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলতি বছরের ২৯ মার্চ নির্ধারিত চট্টগাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ২১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়েছিল।

বর্তমানেও করােনার প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কা বিবেচনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়াদকালের মধ্যে অর্থাৎ এ বছরের ৫ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন আয়ােজন করা সম্ভব হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইসি।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এ সিটি নির্বাচনের তফসিল দিয়েছিল ইসি।

এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্রও বৈধ হয়েছিল।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: