সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

“প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা”

মাহমুদ সুজাদ

“প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা”

প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন, কুষ্টিয়া জেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা।দীর্ঘ ৬ বছরে একটি মাত্র সার্কুলার হয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।আবেদন জমা পড়ে রেকর্ড সংখ্যক ২৪,০০০০০ তার থেকে লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হন মাত্র ৫৫,২৯৫ জন,যা মোট প্রার্থীর ২.৩ শতাংশ। চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয় ১৮,১৪৭ জন এর মধ্যে অনেকের অন্য চাকরি হয়ে যাওয়ার কারনে যোগদান করেনি, আরোও অনেকে বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় ব্যাংক ও ৩৮ তম বি,সি,এস ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত রেজাল্টের অপেক্ষায় আছেন।এছাড়া মহামারী করোনার প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা ভেঙে পড়েছে।তাই করোনা পরবর্তী এ সংকট কাটিয়ে উঠতে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।মুজিব শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ঘরে ঘরে একজন করে সরকারি চাকুরি প্রদান ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা প্রনোদনা হিসেবে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল শিক্ষকদের দাবি এখন সর্বমহলে আলোচিত।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে ও বিভিন্ন পত্র-প্রত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ২৮,৮৩২ টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূণ্য ছিলো বর্তমানে তা ৬৩,০০০ এ দাঁড়িয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোমল মতি শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনীর মেয়াদ ২ বছর অনুমোদন দিয়েছেন,এখানেও অনেক শিক্ষক শূন্যপদ সৃষ্ট হবে।

শিক্ষকের এই চরম সংকট নিরসনে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলার ছয় উপজেলার প্যানেল প্রত্যাশীরা।প্যানেল প্রত্যাশী বাস্তবায়ন কমিটি-২০১৮ কুষ্টিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক, মাহমুদ সুজাদ বলেন, কুষ্টিয়া জেলায় ২১৮ জন লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আছে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষার অধিদপ্তরের ডি,জি মহোদয় বলেছেন প্রাথমিকের মৌখিক পরীক্ষায় কোন ফেল নেই, উপস্থিত হলেই ১৪/১৫ তার মানে আমরা যারা প্যানেল প্রত্যাশী সবাই পাশ এবং চাকরি পাওয়ার যোগ্য দাবি রাখি।আমাদেরকে প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ দিলে একদিকে যেমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দূর হবে তেমন অন্যদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের সংখ্যাও কমে আসবে সেই সাথে শিক্ষার যথাযত মূল্যায়ন ও বেকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে।

বিনীত নিবেদক,

কুষ্টিয়া জেলা প্যানেল প্রত্যাশীর পক্ষে

মাহমুদ সুজাদ

সাধারণ সম্পাদক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটি,

কুষ্টিয়া জেলা।

শেয়ার করুন...

2 Comments

  1. Md Elius

    প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন করতে প্যানেলে নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই

    Reply
  2. Jahirul Islam

    দেশ ও জাতিকে সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক ব্যাতিরেকে কোমলমতি শিশুদের প্রয়োজনীয় ক্লাস সুনিশ্চিত করা অসম্ভব। আর এই সমস্যা আজীবন ধরে চলমান। তাই প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিলে শিক্ষক সংকট দূর হবে, শিশুরা পাবে তাদের কাংখিত পাঠ, দেশ হবে বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত, কালজয়ী হয়ে থাকবে মহান মুজিব শতবর্ষ।

    Reply

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: