বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেকর্ড

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেকর্ড

করোনা সঙ্কটের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও রেকর্ড হয়েছে। জুন মাসের শুরুতে ৩৩ বিলিয়ন ডলার থেকে রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ৩৭ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে।

এর আগে গত ৩০ জুন প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল। করোনা সঙ্কটের মধ্যে সামগ্রিকভাবে প্রবাসীরা খারাপ অবস্থায় থাকলেও বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স ব্যাপক বাড়ছে। একই সাথে প্রচুর বিদেশি ঋণ আসছে। তবে আমদানি কমে যাওয়ায় বৈদেশিক চাহিদার তুলনায় সরবাহ ব্যাপক বেড়ে এভাবে রিজার্ভ বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। ২ শতাংশ হারে নগদ সায়তার কারণে এখন প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে এভাবে রেমিট্যান্স বাড়ছে।

জানা গেছে, চলতি মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২২৪ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এর আগে কখনো এক মাসেও এত অর্থ আসেনি। এতদিন একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল গত জুনে। ওই মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠান। তার আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে। আর সঙ্কটের মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে এসেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় যা ১৭৯ কোটি ডলার বা ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা থেকে প্রচুর ঋণ পেয়েছে সরকার। মুদ্রা সরবরাহ এভাবে বাড়লেও গত অর্থবছর ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ আমদানি কমে ৫ হাজার ৫৯ কোটিতে নেমেছে। অবশ্য রপ্তানি ১৭ দশমিক ১০ শতাংশ কমে ৩ হাজার ২৮৩ কোটি ডলারে নেমেছে।

গত জুন মাসে রিজার্ভে একে একে তিনটি রেকর্ড হয়। মাসের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। তবে ৩ জুন প্রথমবারের মতো ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। একের পর এক রেকর্ড হয়ে ৩০ জুন রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যায়। মঙ্গলবার তা ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করলো। এর আগে সর্বশেষ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল ২০১৭ সালের জুনে। তারপর দীর্ঘদিন রিজার্ভ ৩২ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠানামা করছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া অব্যাহত আছে। আবার বিশ্ব অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় হুন্ডি পথে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ব্যাপক কমেছে। কেননা সাধারণত অর্থ পাচারকারী প্রবাসীদের থেকে অবৈধ চ্যানেলে ডলার কিনে এখানে সুবিধাভোগীর হাতে টাকা পৌঁছে দেয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এখন সব দেশেরই খারাপ অবস্থা। যে কারণে হুন্ডি পথে ডলারের চাহিদা কমেছে। আগে যারা অবৈধ উপায়ে অর্থ পাঠাতেন তাদের অনেকেই এখন ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: