শুক্রবার, ১০ Jul ২০২০, ০১:১৭ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ভাতে কোনো পুষ্টি নেই?আসুন সত্যতা জেনে নেই- মেধা ইসলাম

ভাতে কোনো পুষ্টি নেই?আসুন সত্যতা জেনে নেই- মেধা ইসলাম

সারাদিন যাই খাই না কেন ভাত না খেলে সবারই মন কেমন করে। আধুনিক সময়ে আমাদের খাদ্যাভাস অনেকটাই বদলে গিয়েছে হয়তো, কিন্তু ভাতে অভ্যাস্ততা এখনো রয়েছে। ভাত প্রধান খাবার হিসেবে গ্রহণ করলেও বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা ভাত শুধু শক্তি দেয় আর মোটা হওয়ার পিছনে এটিই দায়ী। আসলেই কি তাই? আসুন ভাতের কিছু পুষ্টি গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেই।

১.ভাত লো ক্যালরি ফুড। তাই অন্যান্য সব খাবারের মতই ভাত পরিমিত পরিমাণে খেলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

২.প্রচুর ফলেট আছে যা নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

৩.যথেষ্ট পরিমাণে নিয়াসিন,ভিটামিন ডি,ক্যালসিয়াম, ফাইবার,আয়রন,থিয়ামিন ও রাইবোফ্ল্যাভিন রয়েছে।তাছাড়া কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তি যোগায়।

৪.হজম প্রক্রিয়ার জন্য ভাত খুব উপকারী। কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার হওয়ায় সহজে হজম হয়।

৫. ভাতে থাকা স্টার্চ বাওয়েল মুভমেন্টের জন্য উপকারী ব্যাক্টেরিয়া নিঃসরণে সহায়তা করে।

৬. ভাতে কোলেস্টেরল ও সোডিয়াম না থাকায় হাইপার টেনশনের রোগীর জন্য নিরাপদ।

৭. ভাতে থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা পেশিবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৮. শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঠেকাতেও কার্যকর এ কারণে গর্ভবতী মায়েদের রুটির চেয়ে ভাত বেশি খাওয়া ভাল।

৯. পেটের সমস্যায় জাউভাত এবং ঘুমের সমস্যায় পান্তাভাত খেলে উপকার পাওয়া যায়।

১০. ভাত পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং হার্টের পাশাপাশি স্নায়ুকেও ভালা রাখে।

১১. সবচেয়ে ভালো নন-অ্যালার্জিক খাদ্য কারণ এতে গ্লুটেন থাকে না।

১২. সাদা ভাতের তুলনায় লাল চালের ভাতে ক্যালরি কম,খনিজ উপাদান ও আঁশের পরিমান বেশি। তাছাড়া বাদামী চালের ভাতে উচ্চমাত্রায় পুষ্টি উপাদান থাকে যা নিউরোট্রান্সমিটারের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।যা আলঝাইমার্স রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় রুপচর্চাতেও ভাতের অবদান রয়েছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে চালের গুঁড়া ত্বকের রোগ সাড়াতে ব্যবহার করা যায়।ভাতে বিশেষ করে বাদামী চালের ভাতে ফেনোলিক যৌগ থাকে, প্রদাহরোধী উপাদান থাকে যা ত্বকের লাল ভাব ও যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা ও বয়সের ছাপ পড়াকে ধীর করতে পারে ভাতের অ্যান্টিওক্সিডেন্ট।মুখে ভাতের মাড় মাখলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হয় এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এতগুণের পরেও কি ভাতে কোনো পুষ্টি নেই বলবেন? সকালে বা দুপুরে ভাত খেলে তা আমাদের শরীরে শক্তির যোগান দিয়ে থাকে। কিন্তু রাতে ভাত না খাওয়াই ভাল। কারণ, রাতে ভাত খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ব্যালেন্সড ডায়েটের ক্ষেত্রে সারাদিনের যেকোনো সময় অল্প পরিমাণে ভাত রাখতেই হবে।বৈজ্ঞানিকদের মতে ভাত খাওয়া কিন্তু মোটেই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক নয় কিন্তু আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে ভাত খান তাহলে আপনার শরীরের নানান সমস্যা হতে পারে।যেমন শরীরে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা এমনকি ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ভাত খেলে খাবার হজম হতে প্রচুর সময় লাগে ফলে আমাদের পাচন ক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।মনে রাখতে হবে বয়স, শারীরিক গঠন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে যতটুকু পরিমানে ভাত খেতে হবে ততটুকুই খাওয়া উচিত।কেননা বেশি খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি আর কম খেলে অপুষ্টিজনিত সমস্যা হতে পারে।

মেধা ইসলাম- খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: