সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ভেঙে গেলো মুনমুনের ১০ বছরের সংসার

ভেঙে গেলো মুনমুনের ১০ বছরের সংসার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদের সামনে নেচে গেল কয়েকদিন ধরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা মুনমুন। এই সমালোচনা শেষ না হতেই এবার সামনে এলো তার বিচ্ছেদের খবর। ভেঙে গেল এই নায়িকার দ্বিতীয় সংসার।

গেল কোরবানি ঈদের একদিন পর স্বামী মীর মোশাররফ রোবেনের সঙ্গে মুনমুনের তালাক হয়। বিচ্ছেদের খবরটি মুনমুন নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ ১০ বছরের সংসারও টিকলো না।

এই বিষয়ে মুনমুন বলেন, রোবেন শুধু তার নিজের স্বার্থের কথাই চিন্তা করেছে। সংসারের প্রতি তার কোন মনোযোগ ছিলো না। সে সিনেমা বানাতে চাইতো আমি অর্থের যোগান দিতাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হতো না। যার কারণে আমি তাকে বলতাম সংসারের দিকে মনোযোগ দিতে। সে দিতো না।’

কোন অভিযোগ না থাকলেও রোবেন তাকে শারীরিক নির্যাতন করতো বলেও জানান মুনমুন। জানান, তাকে আমি আমার নিজের একটি ফ্ল্যাট ছেড়ে দিয়েছিলাম স্টুডিওর জন্য। বিভিন্নভাবে টাকা পয়সা দিতাম। আমিও চাইতাম সে উঠুক, সে নায়ক হতে চাইতো। আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম, কিন্তু আমাকে শারীরিক নির্যাতন করতো এটা মেনে নিতে পারতাম না।

জানা গেছে, রোবেন একজন শৌখিন মডেল। পাশাপাশি মুনমুনের সঙ্গে যাত্রা-শোসহ পারফর্মার হিসেবে কাজ করতেন। কাজ করতে গিয়ে বয়সে ছোট হওয়া সত্ত্বেও তাকে বিয়ে করেন মুনমুন।

মুনমুন আরও বলেন, ১০ বছরের সংসারের মধ্যে আমরা চার বছর আলাদা ছিলাম। একটা সময় সে ফিল করতে পেরেছে, তারপর সে এটা আমাকে জানায়, ফিরে আসে। ফিরে আসার পরেও সেই আগের মতো হয়ে যায়। সেই টাকা পয়সা নেওয়া, মারধর করা। আর কোনো কাজ নেই তার। নিজের চিন্তায় অস্থির সে, অথচ আমাদের দুইজনের একটি সন্তান রয়েছে সেদিকে তার মনোযোগ নেই। এসব কথা বলাই যেত না তাকে।

এসব কিছু ভেবেই মুনমুন বিচ্ছেদের পথে হেটেছেন। মুনমুন বলেন, সব মিলিয়ে দেখলাম রোবেনের সঙ্গে আর একসঙ্গে থাকা সম্ভব না। আসলে শারীরিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছিল। যার কারণে আমি তাকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেই এবং কোরবানি ঈদের একদিন পরে সেটা কার্যকর হয়।

এর আগে সিলেটের একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে ২০০৩ সালে মুনমুনের বিয়ে হয়। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান। ২০০৬ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরে, ২০১০ সালে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই দম্পতির দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: