বুধবার, ০৩ Jun ২০২০, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বাড়ছেই

যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বাড়ছেই

শেয়ার করুন

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় গোটা বিশ্বের মতো হিমশিম খেতে হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও। লকডাউনের কারণে দেশটিতে ক্রমেই বাড়ছে বেকারের সংখ্যা। অর্থনীতিকে সচল রাখা ও করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য অন্তত ২ লাখ কোটি ডলারের তহবিল ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

করোনা ভাইরাসের দাপটে এলোমেলো বিশ্ব অর্থনীতি। বাসা থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এতে একের পর এক বন্ধ হচ্ছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, বিক্রয়কেন্দ্র। কোভিড-নাইনটিনে আক্রান্ত দেশগুলোতে পুরোপুরি বন্ধই রয়েছে আকাশ, সমুদ্র ও সড়ক যোগাযোগ। এতে লাফিয়ে বাড়ছে বেকারের সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন। যার হার প্রায় ৩৩ লাখ। যা ১৯৮২ এক সপ্তাহে আবেদন করা ৬ লাখ ৯৫ হাজারের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। চলমান লকডাউনের কারণে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বেকারত্বের হার কমানো, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা, লকডাউনের কারণে সাধারণ মানুষের খাদ্য, চাকরি হারানো ব্যক্তি, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পের সহায়তা এবং জরুরী চিকিৎসা সামগ্রী কিনতে দুই লাখ কোটি ডলারের বিলে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এটিই মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া সবচেয়ে বড় অংকের বিল।

করোনার প্রকোপের অল্প কিছুদিন আগে দেশটিতে বেকারত্বের হার ছিল ৫০ বছরের সর্বনিম্নে। এতে দেশটির শ্রমবাজার আরও শক্তিশালী হওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত করোনাভাইরাস কতোটা তলানিতে নিয়ে যায় দেশটির অর্থনীতি সেটি বলা যাচ্ছে না। বর্তমানে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই জনগণকে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা দেয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ার করুন:

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares
%d bloggers like this: