সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

সংক্রামক রোগগুলো কোনো সীমানা জানে না: প্রধানমন্ত্রী

সংক্রামক রোগগুলো কোনো সীমানা জানে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে দেখা যাচ্ছে সংক্রামক রোগগুলো কোনো সীমানা জানে না এবং দুর্বল ও শক্তিশালীদের মধ্যে পার্থক্য করতে জানে না। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) লন্ডনে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (জিএভিআই)-এর ‘বৈশ্বিক টিকা সম্মেলন-২০২০’ ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে নিজের বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

যুক্তরাজ্য সরকার জিএভিআই তৃতীয় দাতা সম্মেলনের আয়োজন করেছে। যেখানে আগামী প্রজন্মকে টিকার মাধ্যমে সুরক্ষার জন্য অন্তত ৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থের সংস্থান করতে হতে পারে।

 

আগে থেকেই ধারণকৃত এক বক্তব্যে শেখ হাসিনা জিএভিআই-কে সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, করোনাভাইরাসের মতো মারাত্মক ভাইরাস সমগ্র মানব জাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।

জাতিসংঘের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি চার মাস অন্তর একটি নতুন সংক্রামক রোগ মানুষের মধ্যে উদ্ভূত হয়। গ্লোবাল ভাইরোম প্রকল্পের অনুমান অনুসারে মহামারি সৃষ্টিতে সক্ষম এমন প্রায় সাত লাখ ভাইরাস পৃথিবীতে রয়েছে।

‘তাদের মধ্যে এমন অনেক ভাইরাস রয়েছে, যা পুরো মানব জাতির জন্য অস্তিত্বের হুমকি হতে পারে। তাই, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য বিদ্যমান এবং নতুন নতুন ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে এবং জিএভিআই আমাদের এই যুদ্ধে সর্বোত্তম সহায়তা প্রদান করতে পারে,’ যোগ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে জিএভিআই বিশ্বব্যাপী ৭৬০ লাখ মানুষকে টিকার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ১৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবন রক্ষা করেছে। ‘আমরা যদি তাদের করতে দেই, তাহলে তারা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সাধারণ একটি ইচ্ছাই পারে টিকাদান অবকাঠামো শক্তিশালী করে ৩০০ মিলিয়ন অতিরিক্ত শিশুদের টিকা দিতে। যার মাধ্যমে জিএভিআই সমর্থিত দেশগুলোতে ৮ মিলিয়ন পর্যন্ত জীবন বাঁচতে পারে।

‘শুধু আমি নই, আপনি যে জিএভিআইকে সমর্থন করছেন বা সহায়তা করছেন সেটা শোনার জন্য সমগ্র বিশ্ব অপেক্ষা করছে,’ যোগ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল গ্লোবাল ভ্যাকসিন সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব ও জিএভিআই প্রদান ড. এনগোজি ওকনজো-আইওয়ালাও বক্তব্য দেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিও বার্তাও শোনানো হয়।

পূর্বপশ্চিমবিডি

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: