শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩৩ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

সালমানের মতো অভিনেতার জন্ম খুব রেয়ার: রিয়াজ

সালমানের মতো অভিনেতার জন্ম খুব রেয়ার: রিয়াজ

১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল শুক্রবার। ঠিক আজকের মতোই এমনই এক সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনই নয়, সাধারণ মানুষের মনকেও আকস্মিক এক খবরে হতবাক করে দেয়। সালমান শাহ চলে যান না ফেরার দেশে। ‘স্বপ্নের নায়ক’ ‘স্বপ্নের পৃথিবী’ থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের ‘অন্তরে অন্তরে’ আজো তিনিই আছেন।

সালমানের প্রস্থান বেদনা জাগিয়েছে তার সহশিল্পীদের মনেও। মৃত্যুদিন কিংবা জন্মদিন ফিরে এলে তাকে ঘিরে অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। চিত্রনায়ক রিয়াজের বেলাতেও তাই। সুযোগ হয়েছিলো সালমানের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করার। সেটাকে ক্যারিয়ারে দারুণ একটি প্রাপ্তি বলে মনে করেন তিনি।

রিয়াজ বলেন, আসলে সালমান এমন একজন মানুষ ছিলো যাকে দুই যুগ পর এসেও সবাই মিস করি। এটা একটা দারুণ ব্যাপার কিন্তু। সালমানের সঙ্গে অনেক স্মৃতি আছে। যতদিন যাচ্ছে স্মৃতিগুলো ততো গভীর হচ্ছে। মনে হচ্ছে সে ফিরে ফিরে আসে।

তিনি বলেন, সালমান পরবর্তী সময়ে আমি কাজ করেছি। কিন্তু আমি নিজে কখনই বা কেউ দাবি করতে পারবে না সালমানের অভাব আমরা পূরণ করতে পেরেছি। কেউই আসলে কারো জায়গা নিতে পারে না বা বিকল্প হতে পারে না। কিন্তু সালমানের যে ক্রেজটা ছিলো সেটি সে না থাকার ২৪ বছর পরও বহমান। এটা কিন্তু অস্বাভাবিক একটি গুণ।

‘সালমানের মতো অভিনেতার জন্ম খুব রেয়ার। জাত অভিনেতা। সব শ্রেণির দর্শককে সে জয় করতে পেরেছিলো। তার মধ্যে কি যেন একটা ছিলো যা দর্শককে টানতো। সহশিল্পী হিসেবেও তাকে দেখতাম অবাক হয়ে। দুই যুগেও তার মতো কেউ হয়নি, আমার ধারণা আগামী দুই যুগেও হবে না।’

রিয়াজ বলেন, আমার সাথে দু’টো সিনেমা ওর হয়েছিলো। একটি সম্পূর্ণ হয়েছিল ‘প্রিয়জন’। আরেকটি শেষ হওয়ার আগেই ও চলে যায়। আমি তখন নতুন ছিলাম। আমার কাছে সবসময় মনে হতো যে সালমান বেঁচে থাকতো, ওর সঙ্গে যদি আরো একবার স্ক্রিন শেয়ার করতে পারতাম!

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: