শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

‘সেক্সের বদলে কাজ’, আয়নাবাজি পরিচালকের বিরুদ্ধে তরুণীর বিস্ফোরক অভিযোগ

‘সেক্সের বদলে কাজ’, আয়নাবাজি পরিচালকের বিরুদ্ধে তরুণীর বিস্ফোরক অভিযোগ

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিনয়ে সুযোগের নামে কুপ্রস্তাব দেওয়া অভিযোগ এনেছেন সুমাইয়া অনন্যা নামের একজন নারী। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি সেসব কথোকথনের স্ত্রিনশটও প্রকাশ করেছেন।

তবে ওই তরুণীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অমিতাভ রেজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক থেকে দুটি ‘অমিতাব রেজা’ আইডির ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এগুলো তার ফেক আইডি। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘স্ক্রিনশটে যে ফেসবুক একাউন্টটি দেখতে পাচ্ছেন এটা একটা ফেক/ ভুয়া একাউন্ট। আমার নামে খোলা এমন অনেক ভুয়া একাউন্টে ফেসবুক এখন সয়লাব। অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়ে এই সমস্ত ভুয়া একাউন্ট দ্বারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আমার পরিচয় ব্যবহার করে এই সব ভুয়া একাউন্ট থেকে যারা অন্যদের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছেন; অনুরোধ করব এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন।

আর সকলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, এই সব ভুয়া একাউন্ট থেকে দূরত্বে থাকুন এবং ফেক একাউন্ট হিশাবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করুন। যারা এইভাবে আমার নামে ভুয়া একাউন্ট পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমি যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেব। আবারও বলছি, আমি এই একটি ভেরিফাইড একাউন্টই পরিচালনা করি। অন্য কোনো একাউন্টে আমাকে খুঁজবেন না।’

এদিকে, ফেসবুকে সুমাইয়া অনন্যা অভিযোগ করেছেন, মুঠোফোন প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের একটি বিজ্ঞাপন ও বিলবোডে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে অমিতাভ রেজা চৌধুরী তাকে প্রযোজকের সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার প্রস্তাব দেন।

সুমাইয়া অনন্যা নামের ওই নারী সেসব কথোপকথনের ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। সঙ্গে লিখেছেন, অমিতাভ রেজা চৌধুরী! তার ফ্যান ফলোয়ার এর অভাব নাই নিশ্চয়ই। আয়নাবাজি দেখার পর আমিও তার মোটামুটি ফ্যান বলা চলে। কয়েক বছর হইলো উনি আমার লিস্টে রয়েছেন। কয়েকবার আলাপ হয়েছে ক্যাম্পাস লাইফ নিয়ে। আজ হঠাৎ আমার ডে’র ক্লিভেজ বের করা ছবি দেখে আমাকে নক দ্যান তিনি (যেটা আমি প্রথমে খেয়াল করিনাই) তারপর শুটের অফার দিলো এবং বাকি কথা সব স্ক্রিনশটে দেয়া আছে। দেখেন!

যারা বলছে, এটা তার ফেইক আইডি, তার ভেরিফাইড আইডি আছে তাদের জন্য ব্রো তার সাথে আমার ভিডিও কলেও কথা হয়েছে যার স্ক্রিনশটও দিলাম।

সুমাইয়া অনন্যা আরও লিখেছেন, তার দুইটা আইডিই আমার লিস্টে ছিলো। এরপর সে আমাকে শুট এর জন্য অনেক কিছু বললো; বাংলালিংক এর বিশাল শুট, বিলবোর্ড হবে ব্লা ব্লা। তারপর শর্ত হিসেবে বললো আজকে প্রডিউসার এর সাথে সেক্স করতে হবে! না করে দিলাম যার কারণে দুইটা আইডি থেকেই আনফ্রেন্ড মারলো।

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ১৯ পেরিয়ে ২০ পরতে যাবো আমি মেয়েটা মিডিয়া কি জানি, জিপির শুট করা, প্রোডাকশন হাউজে কাজ করা ব্লা ব্লা প্লাস বন্ধু-বান্ধব অনেকেই সেই লাইনের হওয়াতে এই বেপারে আমার আইডিয়া আছে যা লোকটা আন্দাজ করতে পারেনি বোধহয়। ক্লিভেজ দেখাইলেই যে সেইটা দেইখা যার তার সাথে আমি শুয়ে যাবো- এরকম ভাবা মানুষগুলার দেখার চোখ ঘুইট্টা ফেলারও সাহস রাখি আমি সেটা বেচারা জানে না, দুঃখ দুঃখ!

এর কিছুক্ষণ পর সুমাইয়া অনন্যা তার ফেসবুকে আরও একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি প্রথমেই বলেছি অমিতাভ রেজার সাথে আমার আগেও কথা হয়েছে। তার দুই অ্যাকাউন্ট থেকেই কথা বলেছেন তিনি আমার সাথে, হ্যা ভ্যারিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকেও কথা হয়েছে। সেই স্ক্রিনশটও দিবো, গোছায়ে নেই। আমার এই পোস্ট ছড়ানোর সাথে সাথেই তিনি ভ্যারিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দিয়েছেন যে এটা তার নামে খোলা ফেক আইডি। আমার ভুল হয়েছে যে আমি ভিডিও কলের স্ক্রিনশট রাখিনি। তিনি আমাকে ভিডিও কল দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমি তখন রান্না করছিলাম। আমি বললাম, আমি কেবলই ঘুম থেকে উঠেছি। এখন কিভাবে সম্ভব? তিনি বললেন যে তিনি আমার ফেসই দেখতে চান।

স্ট্যাটাসে ওই নারী আরও জানান, তারপর রুমে এসে আমি তার কল পিক করার পর কলে এসে তিনি আমাকে কিছুক্ষণ দেখলেন। আমি হাই দিলাম তাকে; তখন সে কথার উত্তর না দিয়ে আশেপাশে ক্যামেরা ঘুরিয়ে স্টুডিও দেখিয়ে ইশারায় বললেন, কথা বলা যাবেনা। তারপর কল কেটে দিলেন। এটা কোনোভাবেই তার ফেক আইডি না। ইভেন আমি এই পোস্ট দেয়ার পর আমার কাছে ৬/৭ জন মেসেজ দিয়ে তার বেপারে এইসব বলছে। অনেকের হাত কাঁপছে, তারা বলতে পারছে না। কিন্তু আমাকে দেখে নাকি তারা বলার সাহস পাচ্ছে। আমি সেইসব স্ক্রিনশটও গুছিয়ে নিচ্ছি, তাদের সাথে অমিতাভের চ্যাটগুলো। ফেক আইডির নাম করে সব জায়গায় লুচ্চামি করা বের করছি ওনার! তার মুরিদ যারা আছেন তারা এই পোস্টটা আরেকবার পইড়া নিয়েন।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: