মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

সৌদির পর্যটন নির্ভর অর্থনীতির স্বপ্নে শুরুতেই বিশাল ধাক্কা

সৌদির পর্যটন নির্ভর অর্থনীতির স্বপ্নে শুরুতেই বিশাল ধাক্কা

তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে আসার পদক্ষেপ হিসেবে সৌদি আরব ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত পর্যটন ব্যবস্থা চালু করলেও করোনাভাইরাসের কারণে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। গেল কয়েক মাস ধরে কোন পর্যটক না আসায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এ খাতের ভবিষ্যৎ। দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন উদ্যোক্তাসহ খাত সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি তরুণী আবের মোহাম্মদ অর্থনীতিতে স্নাতক শেষ করে অন্তত এক বছর অপেক্ষায় করেন শিক্ষক হিসেবে পেশাজীবন শুরুর করার জন্য। একই সময়ে তিনি সরকারি সংস্থা থেকে ফরাসি খাবার তৈরির প্রশিক্ষণও নেন। কিন্তু কোথাও পছন্দের কাজ না পেয়ে নিজ উদ্যোগে শুরু করেন পর্যটন ব্যবসা। পরিকল্পনা ছিলো নিজের একটি রেস্তোরাঁ গড়ে তোলারও। কিন্তু করোনার কারণে ভেস্তে যেতে বসেছে সব স্বপ্ন।

আবের মোহাম্মদ বলেন, আমি আশা করছি একটা সময় আমি একটি রেস্তোরাঁ চালু করতে পারব। যেখানে আমি নানা বিদেশি খাবারের মেনু নিয়ে আসতে পারব। আমি যেহেতু এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করছি তাই আমি এর বিস্তারিত জানি। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে এখন সবই থেমে আছে।
মাত্র কিছু দিন আগে সৌদি আরব খনিজ তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হয়ে আসতে পর্যটনসহ বেশ কয়েকটি খাতে নতুন করে লাখ লাখ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে। ছাড় দেয়া হয় নারী স্বাধীনতায়। কিন্তু তার পরই স্থবির হয়ে পড়ে গোটা দুনিয়া।

সৌদি ব্যাংকিং ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ মাজিদ আহমেদ বলেন,
সৌদি আরবের তরুণ তরুণীরা সরকারের মাধ্যমে টুরিজম সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য আবেদন করে থাকে। তারা খুবই পরিশ্রমী হওয়ায় দেশটির সরকার এ খাতে শুরুতেই ভালো সাফল্য পাচ্ছিলো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা বাসায় অবস্থান করছে। কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকারও।

বেসরকারি পর্যটন সংস্থা সমন্বয় ও বিপননকারী বাজেস জাওয়াবরিহ বলেন, করোনা মহামারির কারণে অনেক পর্যটন সংস্থা তাদের অফিস বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অনেকে কর্মীদের বেতন কর্তন করেছে। আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা সব ধরণের বুকিং বন্ধ করে দিতে হয়েছে। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ বুকিংও।

রক্ষণশীল দেশটিতে বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ কর্মহীন। যা মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: