সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আমি বদলা নিতে চাই না,আমি বদলাতে চাই- আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী

আমি বদলা নিতে চাই না,আমি বদলাতে চাই-  আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
প্রিন্ট করুন
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল মির্জাপুরের কৃতি সন্তান। পিতা:মৃত আজগর আলী সিদ্দিকী,মাতা:মরহুমা জমিলা বেগম।ছোট বেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন।তিনি মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ভিপি।ষষ্ঠ এবং সপ্তম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ছিলেন।বিএনপির রাজনীতি নিয়েই তার ধ্যান ।এক কথায় বলা যায়, বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি।বর্তমানে
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (সাবেক সংসদ সদস্য-টাঙ্গাইল-৭),শিশু বিষয়ক সম্পাদক জাতীয় নির্বাহী কমিটি- বিএনপি।
বাংলা৫২নিউজের সাথে একান্ত সাংক্ষাৎকারে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ইতিহাস ,সমসাময়িক প্রেক্ষাপট,আগামী বাংলাদেশ কেমন হবে সে বিষয়ে কথা বলেন।

তিনি বলেন দেশে গণতন্ত্রও নাই; শান্তিও নাই। আমরা সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে কোনো নির্বাচন হয়নি। ১৫৪ জন বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যরাও ভোটে নির্বাচিত হন নাই।দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশটাকে গড়বো। সবাই মিলে কাজ করলে অনেক সুন্দর করতে পারবো।তিনি বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।বিএনপিতে কোন মতানৈক্য নেই। দল ইউনাইটেড। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করবার জন্য সকল ব্যবস্থা প্রায় পাকাপোক্ত করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা শপথ নিয়েছি যে গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম শুরু করেছি সেই সংগ্রাম আমাদের অব্যাহত থাকবে, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত। যদি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয় তাহলে জনগণই প্রমাণ করবে তারা কাকে চায়? জনগণ যে রায় দেবে তা আমরা মাথা পেতে নেবো। আওয়ামী লীগের নির্ভরশীলতা জনগণের ওপরে নেই। কিন্তু বিএনপির জনপ্রিয়তা শতভাগ বাংলাদেশের মানুষের ওপর। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে ইনশাল্লাহ আগামীর মুক্তি সংগ্রাম এবং নির্বাচনে জয়ী হব। সেই জয় হবে দেশের মানুষের ও গণতন্ত্রের। 

মির্জাপুরের মানুষ কেন আপনাকে নির্বাচিত করবে?
এই প্রশ্নের জবাবে মৃদ হাসি দিয়ে তিনি বলেন-“আমি মধ্যবৃও পরিবারের সন্তান।আমি মানুষের কষ্ট বুঝি।আমি সব শ্রেনির মানুষের সাথে মিশে বড় হয়েছি।আমি রাজনীতি করি জনগনের জন্য।মানুষ আমাকে ভালোবাসে।আমি জনগনের জন্য কাজ করি,জনগন আমাকে ভালোবেসে আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে মির্জাপুর মানুষের সেবা করার সুযোগ দিবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
 

 

1 Comment

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ