সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আইভীর অভিযোগ রেকর্ড হয়নি মামলা হিসেবে

আইভীর অভিযোগ রেকর্ড হয়নি মামলা হিসেবে
প্রিন্ট করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ এখনও মামলা হিসেবে রেকর্ড করছে না পুলিশ।

পুলিশ বলছে, তারা অভিযোগটি তদন্ত করে দেখছে। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে এটি মামলা হিসেবে নেয়া হবে।

১৬ জানুয়ারি সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা আইভীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেন থানায়।

কিন্তু এক দিন পরও অভিযোগটি মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখনও আহতদের সঙ্গে কথা বলেনি থানা পুলিশ। তবে এ নিয়ে পুলিশের সদিচ্ছার অভাব আর রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ করছেন আইভী সমর্থকরা।

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ শহরে মেয়র আইভীর সমর্থকদের সঙ্গে ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান অনুসারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় মেয়র আইভীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আর এক পর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়েও পড়েন। তখন সমর্থকরা মানববর্ম বানিয়ে তাকে রক্ষা করেন এবং পরে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেন।

এই ঘটনার পর পর মেয়র আইভী গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বলেন, তাকে হত্যার জন্য শামীম ওসমান হামলা করিয়েছেন।

আবার সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে নিয়াজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে দেখা যায়। তাকে আইভী সমর্থকরা ধরে বেদম ‍পিটুনিয়ে দিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। পরে অবশ্য আইভীর পক্ষে মিছিলে যাওয়া বেশ কয়েকজনের হাতেও অস্ত্রের ছবি প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে।

সংঘর্ষের এক সপ্তাহ পর ২৩ জানুয়ারি সিটি করপোরেশনের আইন বিষয়ক কর্মকর্তা জিএম এ সাত্তার থানায় আইভীরে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে ১ নম্বরে রাখা হয়েছে সংঘর্ষের দিন অস্ত্র বের করা নিয়াজুল ইসলাম খানকে। অন্যরা হলেন: অস্ত্র প্রদর্শন করা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ঘটনাস্থলে থাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, আওয়ামী লীগ নেতা নাছির উদ্দিন ও চঞ্চল মাহমুদ।

অভিযোগে বলা হয়, আইভীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার জনই লাঠিসোটা, অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। এতে আইভীসহ ৪৩ জন আহতের নাম উল্লেখ করা আরও শতাধিক আহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

1 Comment

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ