সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ভিক্ষাবিত্তি ছাড়তে চায় ‘শাহিন’

ভিক্ষাবিত্তি ছাড়তে চায় ‘শাহিন’
প্রিন্ট করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ গত দু’বছর ধরে ভিক্ষাবিত্তিকে পেশা হিসেবে নিয়েছে শাহিন। তাগিদ শুধু জীবিকার নয়, দৈনিক শ’খানেক টাকা খরচ হয়, কেবল তার শরীরের ঘা পরিস্কার করতে। তাই একদিন ভিক্ষা না করলে অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় বাইশ বছর বয়সী শাহিনকে।

সাত বছর বয়সে শাহিন আক্রান্ত হন ‘মাদারইফোট’ নামক চর্ম রোগে। পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হয় চিকিৎসার। কিন্তু ভাগ্য চেয়েছিল অন্য কিছুই। কিছুদিনের মাথায় মারা যায় শাহিনের মা। বাবা অন্যত্র বিয়ে করেন। ততদিনে শাহিনের রোগটি বড় আকার ধারণ করে ফেলেছে।

‘মাদারইফোট’ রোগটি মূলত ত্বক নরম হওয়া জনিত সমস্যা। ঋতু পরিবর্তনের ফলে ঠান্ডা ও গরমে শরীরে ফোসকা হয়। কয়েকদিন পরে ফোসকা ফেটে সেখানে ক্ষত সৃষ্টি করে।

চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে ইতিমধ্যেই কেটে ফেলতে হয়েছে শাহিনের ডান পা। সেও প্রায় তিন বছর আগে। এখন কেটে ফেলার অপেক্ষায় বাঁ পা। দু’হাতের আঙুলেও ক্ষত। দিন দিন শাহিনের অবস্থা যাচ্ছে আরো অবনতির দিকে।

নিজের অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্না জোড়া কন্ঠে শাহিন বলেন, “প্রথমে সমস্যা পায়ে আছিল। মা মরার পর দেখার কেউ ছিল না। বাবায় তো অন্য জাগায় বিয়া করছে। আমারে দ্যাখবো কে? দ্যাখছে কয়দিন। তহনো ঐ ঘরে পোলাপান হয় নাই। নিজের সন্তান হইয়া গেলে সতীনের সন্তানরে কে দ্যাহে? পা একটা কাঁটা লাগছে। এইডারে দৈনিক ডেসিং করা লাগে। হাতের অবস্থাও ভালা না।“

বাবার পরিবার থেকে বিতারিত শাহিন এখন থাকেন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায়। সেখানে এক রুমের একটি বাসা ভাড়া করে অতি কষ্টে দিন কাটে তার। সারাদিন ভিক্ষা করে খাবার ও ঘা পরিস্কারের সামগ্রী কিনে ঘরে ফেরেন।

শাহিন বলেন, “ডেলি তিনশ টাকার মত পাই। ১০০ টাকা যায় ডেসিঙের জিনিসপত্র কিনতে। আমি তো রানতে পারি না। রাইন্দা দেওয়ার লোকও নাই। খাবার কিনা আনতে হয়।“

একপা হারানো শাহিন এখনো স্বপ্ন দেখেন দেশের জন্য কিছু করার। ছাড়তে চান ভিক্ষাবিত্তি। জীবনের প্রায় দুই যুগে দাঁড়িয়ে এখনো স্কুলে যেতে চান। আর সেজন্য তার প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা।

শাহিনের ভাষায়, “আমি ওহনো পড়তে চাই। দেশের জন্য, আমার মত প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু করতে চাই। আমাগো প্রধানমন্ত্রী যদি আমারে একটু সাহায্য করত। আমি একটা সুস্থ জীবন চাই। ভিক্ষা করতে চাই না।“

বাংলা৫২ নিউজ/২৯-আগস্ট-২০১৮/মৃধা

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ