বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চান খালেদার আইনজীবীরা

প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চান খালেদার আইনজীবীরা
প্রিন্ট করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য কারাগারে যেভাবে আদালতের এজলাস বসানো হয়েছে এবং ‘অসুস্থ থাকার পরও’ যেভাবে তার বিচার চলছে- সে বিষয়ে আপত্তি জানাতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেছেন তার জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।

বিচারিক সীমা লঙ্ঘনকারীদের’ বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে একটি লিখিত আবেদনও করেছেন তারা।

এদিকে দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাই কোর্ট বেঞ্চে রোববার আবেদনটি উপস্থাপন করা হলেও শুনানি হয়নি।

খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন পরে সাংবাদিকদের বলেন, “বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি করা হয়েছে। আগামীকাল আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসতে পারে।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী দলের সদস্য খন্দকার মাহবুব হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মীর নাসির উদ্দীন এবং বদরুদ্দোজা বাদল দুপুরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের কক্ষে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতির কাছে যে লিখিত আবেদন তারা দিয়েছেন, যেখানে মূলত তিনটি যুক্তি তারা তুলে ধরেছেন।

# খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা ভালো না। তিনি গুরুতর অসুস্থ, তিনি হাঁটতে পারেন না। যা সরকারও স্বীকার করেছে। তবুও সরকার তার যথাযথ চিকিৎসার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

# পরিত্যক্ত কারাগারে কোনো বিচার কাজ চলতে পারে না। যদি চলে- তা হবে অবৈধ।

# দেশের কারাগারের তালিকা থেকে পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারটি এখনও বাদ দেওয়া হয়নি- সে কারণে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থাপন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত।

লিখিত আবেদনে প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে বলা হয়েছে, “আমরা আপনার কাছে অনুরোধ করছি, যারা বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং যে বিচারিক কর্মকর্তা তার বিচাররিক সীমা লঙ্ঘন করেছে- তাদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট বাংলদেশ (হাইকোর্ট বিভাগ) ১৯৭৩ বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি।

‘অসুস্থতার কারণে’ গত সাত মাসে তাকে একবারও আদালতে হাজির করা সম্ভব না হওয়ায় জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলার শুনানি শেষ করতে কারাগারের ভেতরেই আদালত বসিয়ে বিচারের ব্যবস্থা করেছে সরকার।

এর বিরোধিতা করে বিএনপি এই বিচারকে ‘ইন ক্যামেরা ট্রায়াল’ ও ‘সংবিধান পরিপন্থি’ আখ্যায়িত করেছে। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, তাদের ‘অসুস্থ নেত্রীকে জোর করে’ ওই আদালতে হাজির করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রজ্ঞাপন দিয়ে কোর্ট যেখানে খুশি হতে পারে, এখানে সংবিধান পরিপন্থি কিছু নেই।

বাংলা৫২ নিউজ/০৯-সেপ্টেম্বর-২০১৮/মৃধা

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ