সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

এমপি হলে কী কী সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়

এমপি হলে কী কী সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়
প্রিন্ট করুন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ তারিখ ছিল ২৮ নভেম্বর। আসন্ন এ নির্বাচনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করার জন্য ৩০০ আসনের বিপরীতে বিভিন্ন দল থেকে ৩০৫৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ অনান্য দলের আরো কয়েক হাজার ব্যক্তি মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু দলের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় তারা মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

বাংলাদেশে কেনো এতো সংখ্যক লোক সংসদ সদস্য(এমপি) হতে চায়? এমপি হলে কি ধরণের লাভ এবং সুযোগ সুবিধা তাঁরা ভোগ করে তা অনেকেরই অজানা। তাই বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পান সেগুলো তুলে ধরা হলো,

১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা

২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা

৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা

৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা

৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা

৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা

৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা

৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা

৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা

১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা

১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা

১২. সংসদ সদস্যদে সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে থাকার জন্য।

এছাড়াও ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত একজন সংসদ সদস্য প্রতিবছর চার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ পান। এই বরাদ্দের পরিমাণ আগে ছিল দুই কোটি টাকা। থোক বরাদ্দের টাকা একজন সংসদ সদস্য তাঁর নিজের পছন্দ মতো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যায় করতে পারেন বলে জানা যায়।

স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রকল্প যেমন কাজের বিনিময়ে খাদ্য, বয়স্ক ভাতা, নানা ধরণের সামাজিক নিরাপত্তা-বেষ্টনী সহ প্রায় ৪০ ধরণের প্রকল্প আছে। এসব প্রকল্প থেকে কারা কারা সুবিধা পাবেন সেটি স্থানীয় সংসদ সদস্যের সম্মতির ভিত্তিতে বরাদ্ধ দেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় নানা প্রকল্পে প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা অগ্রাধিকার পেয়েছেন। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত বেতন-ভাতার পাশাপাশি একজন সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সবচেয়ে ক্ষমতাবান হিসেবে পরিচিত।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ