বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কুমিল্লায় ১৩ বছর পরও অক্ষত কোরআনে হাফেজের লাশ

কুমিল্লায় ১৩ বছর পরও অক্ষত কোরআনে হাফেজের লাশ
প্রিন্ট করুন
১৩ বছর পরও অক্ষত- কুমিল্লায় ১৩ বছর আগে দাফন করা এক কোরআনে হাফেজের লাশ এখনো অক্ষত থাকার মত অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে। জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খনাতুয়া গ্রামে এ অলৌকিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে খনাতুয়া গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের ছোট ছেলে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ মাসুদ মাত্র তের বছর বয়সে কিডনী রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

ওই সময় চারদিকে বন্যার পানি বেশি থাকায় তাকে গ্রামের বিরার পুকুর পাড়ে দাফন করা হয়। দাফনের দীর্ঘ ১৩ বছর পর গত ১৪ মে রবিবার পুকুর পাড়ের মাটি ভেঙ্গে মাসুদের লাশটি পুকুরে পড়ে যায়।এসময় স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পেয়ে লাশটি পানি থেকে উঠায়। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় একেবারে অক্ষত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করে। পরে এলাকাবাসী তার পারিবারিক কবরস্থানে লাশটি পুনরায় দাফন করে। মোহাম্মদ মাসুদ পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট।এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দূরদূরান্ত থেকে মানুষ কোরআনে হাফেজ মাসুদের কবর দেখতে খনাতুয়া গ্রামে ভিড় করছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও লাশের ছবি পোষ্ট করে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করছেন।এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শাহ্‌ আলম জানান, আমরা লাশটি পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে লাশটি উঠিয়ে পুনরায় দাফন করি। ১৩ বছর পরও কাপনের কাপড় একেবারে অক্ষত দেখে আমরা সকলেই অবাক হই।মৈশাতুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আমি ঘটনা শুনেছি। এটি সত্যি একটি অলৌকিক ঘটনা।আরও পড়ুন কুমিল্লার নুরুল হক ইতালিতে কমিশনার নির্বাচিত

ইতালির অন্যতম শিল্পনগরী ব্রেসিয়ার সিটি নির্বাচনে নুরুল হক নামে এক বাংলাদেশি কমিশনার নির্বাচিত হয়েছেন। জানা যায়, সম্প্রতি ইতালির ব্রেসিয়া সিটিতে স্থানীয় কমিশনার পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নুরুল হক ব্রেসিয়ার ডন বসকো এলাকা থেকে কমিশনার নির্বাচিত হন।মো. নুরুল হক কুমিল্লার লালমাই উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার অধিবাসী। তিনি বাংলাদেশ ও ইতালির নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিয়োজিত। এছাড়া তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা সমাজ ব্রেসিয়ার সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।তিন মেয়ে ও স্ত্রী কোয়েল ভূঁইয়াকে নিয়ে ব্রেসিয়ার ভিয়া ক্রসিকা এলাকায় বসবাস করছেন নুরুল হক। ইতালি আসার আগে নুরুল হক বাংলাদেশে আইন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ