বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

খুলনা-২ আসনে ভোট হবে ইভিএমে

খুলনা-২ আসনে ভোট হবে ইভিএমে
প্রিন্ট করুন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে-বিপক্ষে মতামত দিয়েছেন ভোটার ও রাজনৈতিক নেতারা। ইভিএমকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। আবার অনেকে ইভিএমকে আপত্তি জানিয়ে বাতিলের দাবিও করেছেন।

বিরোধীরা বলছেন, ইভিএমে যেভাবে ভোট গণনা করে এটা আমাদের কাছে পরিষ্কার না, যার কারণে ইভিএমের পক্ষে নই। ইভিএমের ব্যবহার যদি না বুঝি তাহলে আমরা কিভাবে ভোট দেবো?

নতুন ভোটার কলেজ শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন বলেন, সব কিছুতেই প্রথমে সমস্যা থাকে পরে ঠিক হয়ে যায়। ইভিএম অনেকে মেনে নিতে পারছেন না। বুজতে পারছেন না কিভাবে এটার ব্যবহার করতে হবে। শিখিয়ে দিলে তারা বুঝবে এটা কঠিন কিছুই না।

তিনি জানান, ব্যালট বই ছিনতাই হয়, জোর করে ব্যালটে সিল মারা হয়। ভোট গণনার আগে এজেন্ট বের করে দেয়া হয়। ভোটের আগের রাতেই ব্যালট বইয়ে সিল দেয়া হয়। ইভিএমে ভোট হলে এগুলো হবে না। রিমন নামের এক ভোটার বলেন, দিন যত যাবে যন্ত্র বা প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়বে। এটাকে অবশ্যই স্বাগত জানাতে হবে। তবেই না নিজেদের আধুনিক দাবি করতে পারবো।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রহিম মিয়া বলেন, আগে ভোট দিতাম সিল মেরে। এখন মেশিনে দিতে হবে। আমি তো লেখা পড়া জানি না কোথায় টিপ দিতে কোথায় দিয়ে ফেলবো। ভোটটা নষ্ট হয়ে যাবে।

শিপন নামের আরেক ভোটার বলেন, ইভিএমের মূল ভোটিং প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা যায় এবং এর মাধ্যমে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করা যায়। এমনটি করা হবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এমন হলে ভোট দেয়া না দেয়া সমান হবে।

খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ইভিএম সম্পর্কে মানুষের তেমন কোনো জ্ঞান নেই। ইভিএমের ব্যবহার জনগণের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।

সদর থানা নির্বাচন কর্মকর্তা এটিএম শামীম মাহমুদ জানান, এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯ জন। আসনটিতে ১৫৭টি কেন্দ্রের ৬৫৩টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য পাঁচটি করে ইভিএম মেশিন রয়েছে।

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ইভিএম বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট নেয়ার জন্য খুব শিগগিরই ১৫৭ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৬৫৩ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ১ হাজার ৩০৬ জন পোলিং অফিসারের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ