বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

টাইগারদের ইতিহাস গড়া জয়

টাইগারদের ইতিহাস গড়া জয়
প্রিন্ট করুন
বাংলাদেশ যে স্পিন শক্তিকে ভালো তা আবারো প্রমাণ করলো মিরাজ,সাকিব ও তাইজুল। টাইগারদের স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারলোনা সফরকারীরা। মিরাজদের ঘূর্ণিতে ভেংগে গেলো দ্বীপরাষ্ট্রের ব্যাটিং লাইন আপ। সেই সাথে টাইগাররা ইনিংস ও ২০৮ রানের বিশাল ব্যাবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করে।সম্ভাবনা জেগেছিল আগের দিন বিকেলে। তৃতীয় দিন সকালে পেল পূর্ণতা। মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে গুঁড়িয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষকে সবচেয়ে কম রানে গুটিয়ে বাংলাদেশ পেল প্রথমবার ফলো অন করানোর স্বাদ।দুই টেস্ট ম্যাচ ২-০ তে জিতে ক্যারিবিয়ানদের ধবলধোলাই করলো টাইগারবাহিনী।

সাদা পোশাকে ১৮ বছরের পথচলায় কোনো দলকে ফলোঅন করানোর ঘটনা এটাই প্রথম।এর আগে একবার সুযোগ এলেও প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করায়নি বাংলাদেশ। কিছুদিন আগেই মিরপুরে জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে ফেলেছিল টাইগাররা। কিন্তু ফলোঅন করানো হয়নি।লয়েড-সোবার্সদের দেশকে ফলোঅন করিয়ে প্রথমবারের মতো ইনিংস ব্যবধানে জেতার স্বাদ নিলো সাদা পোশাকে সাকিব বাহিনী। হেটমেয়ার ছাড়া এদিন কেউ ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেনি। ৯৩ রান করে মিরাজের বলে আউট হয়ে সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় তার।হোপ করেন ২৫ রান। হোপ ছাড়া কেউ ২০ এর কোঠা পেরুতে পারেনি।

স্বাগতিকদের হয়ে মাহমুদুউল্লাহ,সাকিব,সাদমান ও লিটন দাসদের ব্যাটিংয়ে রানের পাহাড়গড়া স্কোরই মূলত জয়ের ভিত্তি স্থাপন করে দেয়। ব্যাটসম্যানদের পর বোলাররা তাদের দায়িত্বটা পালন করে। প্রথম ইনিংসে মিরাজ ৭ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে দ্বিতীয় ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন।মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে এই অফ স্পিনার নাম লেখালেন রেকর্ড বইয়ে। এক ইনিংসে ৭ উইকেট বাংলাদেশের হয়ে এর আগেও নিয়েছেন ৩ জন। তবে অফ স্পিনে ৭ উইকেট শিকারি প্রথম বোলার মিরাজই।

বাংলাদেশের হয়ে ৭ উইকেট নেওয়া আগের তিন বোলারই ছিলো বাঁহাতি স্পিনার-এনামুল হক জুনিয়র, সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলাম। অফ স্পিনার হিসেবে আরেকটি জায়গাতেও মিরাজের নাম এখন সবার ওপরে। ৫৮ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট। বাংলাদেশে কোনো অফ স্পিনারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড এটিই। গত বছর চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার নাথান লায়নের ৯৪ রানে ৭ উইকেট ছিল আগের সেরা।

এর আগে,সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাহমুদউল্লাহর শতক এবং সাকিব-সাদমান-লিটনের অর্ধশতকে ৫০৮ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজ ও সাকিবের ঘূর্ণিতে ১১১ রানে অলআউট হয় উইন্ডিজ। মিরাজ ৭টি ও সাকিব ৩টি উইকেট নেন।

৩৯৭ রানে পিছিয়ে থাকা ক্যারিবীয়ানরা ইনিংস পরাজয় ঠেকাতে ব্যাটিং নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি। প্রথম ইনিংসের ন্যায় দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় তারা। ব্রাথওয়েটকে এলবিডব্লিউয়ের শিকার করেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। দলীয় ১৪ রানে মেহেদি মিরাজের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফিরে যান পাওয়েল।

এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন শাই হোপস এবং সুনীল আম্ব্রিস। কিন্তু তাইজুলের জোড়া আঘাতে মুহূর্তেই চার উইকেট হারায় সফরকারীরা। আম্ব্রিসকে এলবিডব্লিউতে পরিণত করেন। ব্যক্তিগত পরের ওভারেই চেজকে মুমিনুলের তালুবন্দি করে এই বাঁহাতি স্পিনার। এরপরই ৬৬ রানের জুটি গড়েন শাই হোপস ও হেটমেয়ার। মিরাজের বলে পুল খেলতে গিয়ে সাকিবের হাতে ধরা পড়েন হোপস। যাওয়ার আগে করেছেন ব্যক্তিগত ২৫ রান। কিছুক্ষণ পর সৌম্যের হাতে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডাওরিচও।

ক্যারিবিয়ানদের স্কোর দুইশ পার করানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছেন হেটমেয়ার। ৯ ছক্কা ও ১ চারে ৯৩ রান করেন তিনি। ছক্কা মারতে গিয়ে মিরাজের বলে মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন এই হার্ড হিটার। ওয়ারিক্যানকে করা বলে নিজেই ক্যাচ ধরে ৭ম বারের মতো ক্যারিয়ারে পাঁচ উইকেট দখল করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ক্যারিবিয়ানরা অলআউট হয় ২১৩ রানে। শেষ উইকেট জুটিতে রোচ ও লুইস ৪২ রান যোগ করেন।

বাংলাদেশের পক্ষে মিরাজ ৫ উইকেট, তাইজুল ৩টি, নাঈম ও সাকিব একটি করে উইকেট নেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ