রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আমি বেঁচে আছি, তবে হাসপাতালে: কাজী হায়াৎ

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

আমি বেঁচে আছি, তবে হাসপাতালে: কাজী হায়াৎ
প্রিন্ট করুন
আমি হাসপাতালে আছি। অসুস্থ, তবে বেঁচে আছি। যারা মিথ্যে কথাটা ছড়িয়েছে তাদের আমি নিন্দা করি। কেন এই মিথ্যে কথা? আমি খুব কষ্ট পেলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন ভালো হয়ে বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারি।’

ভিডিও বার্তায় এমনটি বলেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক কাজী হায়াৎ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের মৃত্যুর খবরকে রুখতে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে বাধ্য হয়ে এই বার্তা দিয়েছেন তিনি ।

গেল বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজী হায়াৎ-এর মৃত্যু গুজব ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কাজী পরিবার।

চিকিৎসাধীন কাজী হায়াৎ-এর সার্বক্ষণিক সঙ্গী তার ছেলে কাজী মারুফ নিজের ফেসবুকে পোস্ট করার মাধ্যমে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘ প্লিজ, কোনও অপপ্রচার চালাবেন না। আমার বাবা ভালো আছেন।’

তবে গুজব থামাতে না পেরে বাধ্য হয়ে অসুস্থ বাবাকে ভিডিও বার্তায় কিছু বলতে বলেন মারুফ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি হাসপাতাল থেকে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করতে বাধ্য হয়ে তিনি ভিডিও বার্তা দেন। বুধবার (৯ জানুয়ারি) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কাজী মারুফ ফেসবুকে ভিডিও বার্তাটি পোস্ট করেন।

বিগত কয়েক বছর ধরে কাজী হায়াৎ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তার ঘাড়ের একটি রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়েছে। ১৯৯৩ সালে তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন তিনি ভারতের বিরলা হার্ট সেন্টারে গিয়ে চিকিৎসা নেন ।

এরপর ২০০৪ সালে আবারও সমস্যা দেখা দেয়। তখন তার হার্টে ৪টি রিং বসানো হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওপেনহার্ট সার্জারি করা হয়।

গেলো বছরের জানুয়ারি মাসে নতুন করে হার্টে সমস্যা দেখা দিলে এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী তাকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেন।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ