সোমবার, ২৪ Jun ২০১৯, ১০:০৬ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কোন বয়সে কত ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

কোন বয়সে কত ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি
প্রিন্ট করুন
ঘুম শরীরকে সবল রাখে। মানসিক চাপ কমায়, পুনরায় কাজ করার শক্তি জোগায়। তবে এসব বিষয়গুলো তখনই ঘটে যখন আমরা পর্যাপ্ত ঘুমাই। আসুন জেনে নেই সুস্বাস্থ্যের জন্য একজন মানুষের কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটানা ঘুমটা হলে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু এ রকম যদি হয় যে কাজের প্রয়োজনে আপনি এটি করতে পারছেন না, তখন যদি আপনি ভাগ ভাগ করে আট ঘণ্টা পূরণ করতে পারেন, তখন আপনার ঘুমের অসুবিধাটা থাকবে না।

জেনে নিন কোন বয়সে কত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত-

০ থেকে ৩ মাস- নবজাতকদের ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। ঘুমের সময় তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ হয়।

৪ থেকে ১১ মাস- চার মাস বয়স পেরোলেই বাচ্চাদের ঘুমের পরিমাণ একটু কমে যায়। তখন তারা জেগে খেলা করে। বা পরিজনদের চেনার চেষ্টা করে। তবে এই বয়সি বাচ্চাদের ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

১ থেকে ২ বছর- এই বয়সি বাচ্চাদের দিনে ঘুমনোর প্রবণতা কমে যায়। রাতেই মূলত ঘুমোয়। দিনে ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা ঘুম না হলেই নয়।

৩ থেকে ৫ বছর- বাচ্চারা স্কুলে ভর্তি হলে ঘুমের সময় কম পায়। তার ওপর সকালে ওঠার ঝামেলা থাকে। এসবের পরেও ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

৬ থেকে ১৩ বছর- এই বয়সে পড়াশোনার চাপ বাড়তে থাকে। সঙ্গে যোগ হয় নাচ, গান বা আঁকা শেখা। ফলে চাপও বাড়ে। কিন্তু বাচ্চাদের ঘুমের ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলে চলবে না। ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। প্রতিদিন ঠিক সময় ঘুমোতে যাওয়াটাও দরকার। নয়তো চাপ পড়ে শরীরে।

১৪ থেকে ১৭ বছর- এ সময় পড়াশোনার চাপ আরও বাড়ে। কিশোর–কিশোরীদের অনেকেই রাত জেগে পড়াশোনা করে। এর ফলে নানারকম শারীরিক-মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়। কিন্তু যত চাপই থাকুক, ৮ ঘণ্টা অন্তত ঘুমাতেই হবে।

১৮ থেকে ২৫- স্কুল ছেড়ে কলেজে ভর্তি। তার পর কর্মজীবন। জীবনে এতগুলো পরিবর্তন। তাই বিশ্রামটাও বেশি জরুরি। অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

২৬ থেকে ৬৪- এই বয়সে নিউরনের একটি অংশ (‌ভেন্ট্রোল্যাটেরাল প্রিঅপটিক নিউক্লিয়াস)‌ নষ্ট হতে থাকে। ফলে ঘুম কমে যায়। দিনে তবু ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম কিন্তু জরুরি।

৬৫ এর বেশি- বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম আরও কমে যায়। ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের দিনে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমাতেই হয়। তবে অনেকের ৫ ঘণ্টারও কম ঘুম হয়।

মনে রাখবেন ঘুম আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবকিছুতেই ভূমিকা রাখতে পারে। সুস্থ-সবলভাবে বেঁচে থাকার জন্যে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের দরকার আছে। সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে পরবর্তী দিনের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্যে ঘুমের প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares