বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

জবির ১১ শিক্ষার্থীকে থানায় সারারাত নির্যাতন

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

জবির ১১ শিক্ষার্থীকে থানায় সারারাত নির্যাতন
প্রিন্ট করুন
চাঁদা না দেওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১১ শিক্ষার্থীকে থানায় নিয়ে সারারাত নির্যাতন করেছে রাজধানীর ওয়ারী থানা পুলিশ। গত

মঙ্গলবার রাত ১টায় ওয়ারী থানায় এএসআই নজরুল ইসলাম ও তার টিমের নেতৃত্বে এ নির্যাতন চালানো হয়। গতকাল বুধবার সকালে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সদরঘাট-গুলিস্তান সড়কের রায়সাহেব বাজার চার রাস্তার মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করেন ওয়ারী জোনের ডিসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে এডিসি নুরুল আমিনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর লিখিত আবেদন করেন।

জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী মহিদুল ইসলাম ও অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী নিক্সন ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফেরার সময় গোয়ালঘাট লেনে রাজধানীর ওয়ারী থানার এএসআই নজরুল ইসলাম তাদের সন্দেহমূলক তল্লাশি করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলে তাদের ইয়াবা ও মাদকের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছে বলে দাবি করেন। এমনকি মাদক মামলার ভয় দেখায় এবং ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের কাছে যথেষ্ট টাকা না থাকায় এএসআই নজরুল ইসলাম তাদের

সিনিয়র কাউকে টাকা নিয়ে আসার জন্য বলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষার্থী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় তারা দুই শিক্ষার্থীকে আটক করার কারণ জানতে চাইলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এসআই আবদুল আওয়াল ও এএসআই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে সবাইকে পুলিশ ভ্যানে উঠিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের থানায় বেধড়ক মারধর করেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে। এ সময় সদরঘাট-গুলিস্তান সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আটক শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া ও অপরাধীদের শাস্তির জন্য প্রশাসনের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ ছেড়ে দিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

ওয়ারী জোনের এডিসি নুরুল আমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের কথা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ওয়ারী জোনের ডিসি আমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেবেন। এ ছাড়া এ ঘটনায় ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার এসআই অপু, এসআই আবদুল আওয়াল ও এএসআই নজরুল ইসলামকে ক্লোজ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে আটক করা বেআইনি। এ ছাড়া তাদের মারধর করা চরম অন্যায়। আমরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ করেছি। বৃহস্পতিবার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ