রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

সিলেটের রোমাঞ্চকর জয়
প্রিন্ট করুন
বারবার পাল্টাল ম্যাচের গতিপথ। একদম শেষ ওভারেরও শেষ সময় পর্যন্ত ফলাফল নিয়ে থাকল অনিশ্চয়তা। ম্যাচের শেষ বলে একটি ছয় হলেই ফল হতো টাই। কিন্তু সিলেট সিক্সার্সের আল আমিন হোসেনের সেই বলে চিটাগং ভাইকিংসের রবি ফ্রাইলিংক সিঙ্গেলের চেয়ে বেশি কিছু করতে পারলেন না। রোমাঞ্চকর এক সমাপ্তিতে ৫ রানের জয় নিয়ে শেষ হাসিটা তাই হাসল সিলেটই। ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে চিটাগং আটকে গেল ১৬৩ রানে।

শেষ ওভারে ভাইকিংসদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৪ রান। কঠিন সেই সমীকরণটাকে অনেকখানিই নাগালে নিয়ে এসেছিলেন ফ্রাইলিংক। প্রথম চার বলে তার দুই ছক্কায় সিলেট তোলে ১৫। কিন্তু শেষ দুই বলে ৯ রানের অঙ্কটা আর মেলাতে পারেননি তিনি। শেষ দুই বল থেকে আসে মাত্র তিন রান।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে সিলেট এদিন শুরুতেই বেশ বড় এক ধাক্কা খায়। স্কোর বোর্ডে মাত্র ৬ রান তুলতেই তারা হারায় লিটন দাস, নাসির হোসেন ও সাব্বির রহমানের উইকেট। আগের ম্যাচে দারুণ বোলিং করা ফ্রাইলিংক এদিনও বল হাতে ছিলেন দারুণ ছন্দে। প্রথম তিন উইকেটের দুটিই নেন তিনি।

একের পর এক সঙ্গীর এমন বিদায় দেখা ওয়ার্নার যেন অপেক্ষায় ছিলেন যোগ্য একজন সঙ্গীর। অধিনায়ককে সেই যোগ্য সঙ্গটা দেন আফিফ হোসেন। শুরু থেকেই ভাইকিংস বোলারদের পাল্টা আক্রমণ করে খেলতে থাকেন তিনি। দারুণ সব শটে সচল করেন রানের চাকা। তাকে পেয়ে ওয়ার্নারও যেন হাত খুলে খেলার ফুরসত পান। চতুর্থ উইকেটে এই দু’জনের জুটিতে ওঠে ৭১ রান।

২৮ বলে তিন ছক্কা আর পাঁচটি চারে ৪৫ রান করে খালেদ আহমেদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন আফিফ। তিনি যেখানে শেষ করেছিলেন, নতুন ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান শুরু করেন সেখান থেকেই। ওয়ার্নার-পুরান জুটিতে শেষ ৬ ওভারে সিলেটের স্কোর বোর্ডে যোগ হয় ৬৭ রান। ২ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ বলে ৫৯ রান করে ফ্রাইলিংকের বলে আউট হন ওয়ার্নার। তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩২ বলে ৫২ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন পুরান। ২০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৬৮।

রান তাড়ায় চিটাগংয়ের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। প্রথম ওভারে ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদের উইকেট হারালেও ক্যামেরন ডেলপোর্টের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তারা তোলে ৫৮ রান। আরেক প্রান্তে ধীরেসুস্থে খেলছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

তবে টানা দুই ওভারে এই দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে আবারও ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় সিলেট। চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ২২ বলে ৩৮ রান করে রানআউট হন ডেলপোর্ট। তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে আশরাফুল করেন ২৩ বলে ২২। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও অলক কাপালির বলে আউট হওয়ার পর আরও বিপর্যয়ে পড়ে চিটাগং। একটু পর কাপালির বলে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেনও।

তবে সিকান্দার রাজার ব্যাটে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় ভাইকিংসরা। তাসকিনের বলে আউট হওয়ার আগে তার ২৮ বলে করা ৩৭ রানের সুবাদে আবারও ম্যাচে ফেরে চিটাগং। রাজা আউট হওয়ার পরও আগ্রাসী ব্যাটিং করে দলকে জয়ের পথে রেখেছিলেন ফ্রাইলিংক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হননি। বিফলেই যায় তার ২৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংসটি। আগের ম্যাচে খুব একটা ভালো না করলেও ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে এদিন সিলেটের সেরা বোলার তাসকিন। ম্যাচসেরার পুরস্কার পান পুরান।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ