শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আরেকটি বড় সুখবর পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

আরেকটি বড় সুখবর পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবীরা যাতে হয়রানি ছাড়াই অবসর সুবিধা পেতে পারেন, সে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ‘পেনশন অ্যান্ড ফান্ড ম্যানেজমেন্ট’ ইউনিট নামে আলাদা অফিস চালু করেছে সরকার।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মহাহিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে (সিজিএ) স্থাপিত এই অফিসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত নভেম্বর থেকে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, যারা অবসরে আছেন, তারাসহ নতুন যারা অবসরে যাবেন সবাইকে এর আওতায় নিয়ে আসা হবে।

অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের নিজ নিজ দপ্তর বা সংস্থার আওতায় এজি অফিস থেকে ম্যানুয়াল বা প্রচলিত প্রথায় পেনশন নিতে হয়। এতে পদে পদে হয়রানির শিকার হন তারা। সরকারি পেনশন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার ফলে এখন এজি অফিসে যেতে হবে না। পেনশন সরাসরি তাদের নিজ অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। আর টাকা জমা হলেই পেনশনভোগী জানতে পারবেন মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে। তবে আট লাখ পেনশনভোগীকে ডিজিটাল কর্মসূচির আওতায় আনতে সময় লাগবে। এরই মধ্যে ১০ হাজার পেনশনভোগীকে ডিজিটালের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিজিএ অফিসের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি পেনশন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার ফলে আগের মতো টাকা তুলতে এজি অফিসে আর ধরনা দিতে হবে না। ঘরে বসেই পেনশন তুলতে পারবেন। দেশের পেনশন পদ্ধতিতে সর্বশেষ সংস্কার হয়েছিল ১৯৮৩ সালে। পঁয়ত্রিশ বছর পর ২০১৮ সালে এ ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার

উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই বছরের জানুয়ারিতে পরীক্ষামূলক এর উদ্বোধন করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রায় এক বছর পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে পেনশন পেতে হলে সুবিধাভোগীকে অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করতে হয়। এতে পেনশনকারীর নাম, ঠিকানা, যে দপ্তর বা মন্ত্রণালয় থেকে অবসরে গেছেন তার নাম, অবসরের তারিখ, মূল বেতন, মোবাইল নাম্বার, অ্যাকাউন্ট নাম্বারসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হয়। ডিজিটাল পেনশন ব্যবস্থার আওতায় একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে নবগঠিত ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অফিস। কম্পিউটার খুলে ওই সাইটে গিয়ে ফরম পূরণ করে ক্লিক করলে কেন্দ্রীয় অফিসের মেইন সার্ভারে যাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রাপ্য মাসিক পেনশন হিসাব করে তাৎক্ষণিকভাবে সুবিধাভোগীর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন।

বর্তমানে প্রায় আট লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পেনশন সুবিধা পাচ্ছেন।

চলতি বছরের মধ্যে তাদের সবাইকে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হবে। নভেম্বরের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার চাকরিজীবী এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পেনশন পাচ্ছেন। জানা যায়, এর মধ্যে পেনশন অ্যান্ড ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামোর অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এখানে জনবল রাখা হয়েছে একশ’। বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট ক্যাডারের একজন কর্মকর্তাকে এই অফিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এখানে ২০ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করতে আরও সময় লাগবে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে সিজিএ কার্যালয়ের অধীনে বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস, ৫১টি প্রধান হিসাব সংরক্ষণ কর্মকর্তার অফিস এবং প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় অ্যাকাউন্ট অফিস রয়েছে। এসব অফিস থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা, পেনশন, সরকারি খাতের ক্রয়সহ বার্ষিক উন্নয়নকাজের বিল তোলা হয়। ম্যানুয়াল তথা প্রচলিত প্রথায় এসব অফিস থেকে বিল অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নানা হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, যারা অবসরে আছেন, তারাসহ নতুন যারা অবসরে যাবেন সবাইকে এর আওতায় নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে মাসে গড়ে প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার সরকারি চাকরিজীবী অবসরে যান। এ খাতে গত অর্থবছরে পেনশন বাবদ মোট ব্যয় হয় ১৬ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর বাজেটে সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সূত্র বলেছে, এই ব্যয় আরও বাড়বে। কারণ অবসরের পর ১৫ বছর কেটেছে এমন শতভাগ আত্মসমর্পণকারী পেনশনভোগীদের মাসিক পেনশন দিচ্ছে সরকার। তাদের সংখ্যা ২০ হাজার। ফলে এ খাতে ব্যয় আরও বাড়বে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares