বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ক্রাইস্টচার্চে হামলা নিয়ে যা বললেন পাইলট

ক্রাইস্টচার্চে হামলা নিয়ে যা বললেন পাইলট
প্রিন্ট করুন

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদ আল নুরে হওয়া জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন মানুষ। হতাহতের শঙ্কা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ তালিকায় যুক্ত হতে পারতেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। যারা ঘটনার সময় ছিলেন ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে। আর মিনিট পাঁচেক আগে মসজিদে ঢুকলেই শোক নেমে আসতো বাংলাদেশের ক্রিকেটে। চিরবিদায় নিতে পারতেন দেশের ক্রিকেটের পরিচিত মুখগুলো। তবে আশার কথা, নিরাপদেই ফিরছেন টাইগাররা।

এই হামলার ঘটনায় নিরাপদে থাকলেও আতঙ্ক বিরাজ করছে ক্রিকেটারদের মনে। শুক্রবার টিম ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট ক্রাইস্টচার্চের ঘটনা নিয়ে ভীতিকর অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিলেন।

নিজেদের ভাগ্যবান উল্লেখ করে খালেদ মাসুদ পাইলট বলেছেন, ‘এই ধরনের দুর্ঘটনা আমরা কেউই আশা করি না। কোনও দেশেই এমন ঘটনা যেন না ঘটে। আমরা সত্যিকার অর্থেই খুব ভাগ্যবান। বাসে আমরা ১৬-১৭ জন ছিলাম। ঘটনাস্থল থেকে আমরা ৫০ গজের মতো দূরে ছিলাম। আমরা ভাগ্যবান। আর ৩-৪ মিনিট আগেই যদি আমরা আসতাম, তাহলে হয়তো মসজিদের মধ্যে থাকতাম। তখন অনেক ভয়াবহ একটা ঘটনা ঘটে যেত। আমি শুকরিয়া আদায় করছি, আমরা খুব সৌভাগ্যবান বলেই বেঁচে গেছি।’

বাসে বসেই রক্তাক্ত মানুষদের মসজিদ থেকে বের হতে দেখেছেন ক্রিকেটাররা। খুব খারাপ অবস্থা দেখেই পাশের পার্ক দিয়ে পরবর্তীতে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন তারা। টিম ম্যানেজার জানালেন, ‘আমার মনে হচ্ছিল আমরা মুভি দেখছিলাম। বাসের মধ্যে থেকে দেখছিলাম, রক্তাক্ত অবস্থায় অনেকে বেরিয়ে আসছে। বেশ কিছু মানুষ বেড়িয়ে আসতে পেরেছে। প্রায় ৮/১০ মিনিট আমরা বাসের মধ্যেই ছিলাম। ওখানে সবাই মাথা নিচু করে ছিল। যদি কোনও কারণে বাসে হামলা হয়, আমরা যেন বেঁচে যেতে পারি। অবশ্য পরে বাস থেকে বেরিয়ে এসেছি। কেন না মনে হচ্ছিল সন্ত্রাসীরা বেরিয়ে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করলে কেউই বাঁচবো না।’

এখন ক্রিকেটারদের মনে একটাই ভাবনা কীভাবে দ্রুত দেশে ফেরা যায়। খালেদ মাসুদ বললেন, তারা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। টিকিট পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশ দল দেশের বিমানে চড়বেন। সব কিছুই নির্ভর করছে টিকিট পাওয়ার ওপর। টিম ম্যানেজার বলেছেন, ‘এখনও (দেশে ফেরা) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এখানে বিমান টিকিটের ব্যাপার জড়িত। একসঙ্গে এত টিকিট ম্যানেজ করা সহজ কোনও ব্যাপার নয়। দুই একজন হলে একটা ব্যাপার ছিল। কিন্তু আমরা ১৯ জন যাব এখান থেকে বাংলাদেশে। অন্য কোচিং স্টাফ যারা আছেন তারা হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাবে, তারা হয়তো পেয়ে যাবে। বাকি ১৯ জনের জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। ৭/৮ জন করে হলেও যেন আমরা দেশে পাঠাতে পারি। তবে আমরা চাচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে চলে যেতে।’

কারোই মানসিক অবস্থা ভালো নয় বললেন খালেদ মাসুদ, ‘মানসিক চাপ তৈরি হওয়া খুব স্বাভাবিক। আপনি যখন নিজের চোখে এইসব ঘটনা দেখবেন, তখন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। বাসের মধ্যে অনেকেই কান্নাকাটি করছিল, অনেকেই কী করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না। এই মুহূর্তে সবাই হোটেলে নিরাপদ আছে। ঘটনার পর ম্যানেজার হিসেবে আমি চেষ্টা করেছি পুরো দলকে একসঙ্গে মিটিং রুমে নিয়ে আসার। সবাইকে সাপোর্ট করার।’

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ