বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

বিশ্বের ৮ শতাংশ মানুষ নিদ্রাজনিত রোগে ভুগছে

বিশ্বের ৮ শতাংশ মানুষ নিদ্রাজনিত রোগে ভুগছে
প্রিন্ট করুন
আধুনিক সভ্যতায় ব্যস্ত মানুষ ঘুমের প্রয়োজনীয়তাকে খাটো করে দেখছে। অথচ ঘুম শারীরবৃত্তীয় চক্রের একটি অপরিহার্য মৌলিক অংশ। তাই নিদ্রাজনিত সমস্যা এবং এর জটিলতা বিষয়ে অবহিত এবং সচেতন করার জন্য ১৫ মার্চ বিশ্বে পালিত হয় ‘বিশ্ব নিদ্রা দিবস’।

সুনিদ্রার গুরুত্ব বোঝাতে ২০০৮ সাল মার্চ মাস থেকে সারা বিশ্বে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয়। এ বছর এই দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘সুনিদ্রাই নিশ্চিত করে সুস্বাস্থ্য’।

অ্যাসোসিয়েসন অব সার্জন্স ফর স্লিপ অ্যাপনিয়া-বাংলাদেশ এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু কালের কণ্ঠকে জানান, বৈশ্বিক নিদ্রা সঙ্কটে ভুগছে পৃথিবী। বিশ্বের অন্তত ১০০মিলিয়ন মানুষের পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। বিশ্বের ৮ শতাংশ মানুষ নিদ্রাজনিত রোগ এবং নাক ডাকা সমস্যায় আক্রান্ত। এমনকি ২২ মিলিয়ন আমেরিকান নিদ্রাহীনতায় ভুগছে। ঘুমের সমস্যা শিশু থেকে বৃদ্ধ সবারই হতে পারে। বয়স ভেদে এর কারণেও ভিন্নতা রয়েছে। তাই এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।

এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, প্রশান্তিময় ঘুম মানসিক চাপ কমায়, স্মৃতি শক্তি বাড়ায়, উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমায়, শিশুদের মেধাবিকাশে সাহায্য করে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, সুস্থ মানসিকতা সুরক্ষা ও কর্ম উদ্দীপনা বাড়ায়। আর ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজন সুনিয়ন্ত্রিত জীবন।

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে উঠা, দিনের বেলা ৪৫ মিনিটের বেশি না ঘুমানো, ধুমপান এবং এলকোহল বর্জন, ঘুমাতে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা আগে চা, কফি, চকলেট, সোডা বর্জন করা, রাতে ভারী এবং মসলাযুক্ত খাবার পরিহার, নিয়োমিত ব্যায়াম করা, ঘুমের আগে ব্যায়াম না করা, ঘুমানোর জন্য ভালো পরিবেশ নিশ্চত করা (আলো নিভিয়ে, নিরবতা বজায় রেখে)।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares