বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

মতলব উত্তরে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতির ঘটনায় আটক ৩ ॥ আদালতে দোষ স্বীকার

মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

মতলব উত্তরে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে  ডাকাতির  ঘটনায় আটক ৩ ॥ আদালতে দোষ স্বীকার
প্রিন্ট করুন
মতলব উত্তর উপজেলার শ্রীরায়েরচর বাংলাবাজার-মতলব আঞ্চলিক মহাসড়কে লাশবাহী
এ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতির ঘটনায় ৫২দিন পর ঘটনার সাথে জড়িত ৩ ডাকাতকে
আটক করে থানা পুলিশ। আটককৃত ডাকাতরা চাঁদপুর আদালতে দোষ স্বীকার করে
জবানবন্দি প্রদান করেছে। এতে করে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতির ঘটনার রহস্য
উদঘাটিত হয়। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি
মো. মিজানুর রহমান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৫২ দিন পর লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে ডাকাতি ঘটনার
রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। আদালতে আটক ৩ ডাকাতের কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায়
দোষস্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মতলব উত্তর থানাধীন আনন্দবাজার-ঘাসিরচর পাকা সড়কে গত ১৮ জানুয়ারী ভোর
রাতে একটি লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে সংঘটিত দুঃসাহসিক ডাকাতি ঘটনার রহস্য
দীর্ঘ প্রায় ৫২ দিন পর উদঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ।

মামলার ঘটনায় প্রকাশ, গত ১৭ জানুয়ারী তারিখ দিবাগত ভোর রাত আনমানিক
৪টার দিকে (১৮.১.১৯ইং) মতলব উত্তর থানাধীন আনন্দবাজার-ঘাসিরচর পাকা রাস্তায়
মজিদ বেপারীর বাড়ীর সামনে রাস্তায় গাছ ফেলে ঢাকা মেট্টো-চ-০২-০৫৩৯ নম্বরের
একটি লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্স আটকে লাশের সাথে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের নগদ
প্রায় ১ লাখ ৫হাজার টাকা এবং প্রায় ১লাখ ৩৬হাজার ১৮০ টাকা মূল্যের
স্বর্ণালংকার ও ৩টি মোবাইল সেট লুট করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা। এ্যাম্বুলেন্সটি
ঢাকা শ্যামলী শিশু হাসপাতাল হতে আফরিন আক্তার (৯) নামের এক শিশুর লাশ নিয়ে
মতলব উত্তর থানাধীন শিকারীকান্দি গ্রামে যাচ্ছিল। আফরিনের চাচা মনির
হোসেনের দায়েরকৃত এজাহারের ভিত্তিতে এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩
জনের বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানার মামলা নং-১৩, তারিখ- ১৯.১.১৯ইং, ধারা-৩৯৪ পেনাল
কোড রুজু হয়।
দীর্ঘদিন যাবত মামলাটির রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছিল মতলব উত্তর থানা
পুলিশ। স্থানীয়ভাবে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্তের পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের
মাধ্যমে অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমানের সার্বিক তত্ত্ব¡াবধান ও দিক
নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরশেদুল আলম ভূঁঁইয়া ও এসআই ইসমাইল
হোসেনের নেতৃত্বে এসআই গোলাম মোস্তফা, এএসআই কাজী হাবিব,
এএসআই নাহিদ, এএসআই জয়দেব ঘোষ, এএসআই আবু হানিফ এবং অন্যান্য
অফিসার ফোর্স’সহ মতলব উত্তর থানা পুলিশের একটি শক্তিশালী টিম ১০ মার্চ
দিবাগত রাত থেকে ১১ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ থানা,
দাউদকান্দি এবং তিতাস থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রথমে
উক্ত এ্যাম্বুলেন্স লুটের ঘটনায় জড়িত জয়কৃষ্ণ ঋষি (৩০), পিতা- মৃত ঈষান ঋষি ও
লিটন মনি (৩০), পিতা- কালিদাস মনি, উভয় সাং- দুর্গাপুর, ঋষিকান্দি, মতলব
উত্তর’কে এবং উল্লেখিত আটক ২ জনের স্বীকারোক্তি মূলক তথ্যের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার লালপুর গ্রাম থেকে তাদের অন্যতম সহযোগী
মোহাম্মদ আলী (৪০), পিতা- মৃত বাহার আলী প্রধান, সাং-খালপাড় দুর্গাপুর,
মতলব উত্তরকে আটক করতে সক্ষম হয়।
১২ মার্চ ধৃত ৩ ডাকাতকে আদালতে উপস্থাপন করা হলে চাঁদপুরের বিজ্ঞ চীফ
জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নুরে আলম এঁর আদালতে আসামীরা অকপটে দোষ
স্বীকার করে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।
আসামীরা তাদের জবানবন্দিতে জানায়, একটি মাইক্রোবাস যোগে ৬-৭ লাখ
টাকা আসবে মর্মে ইনফরমেশনের ভিত্তিতে তারা ৩জন আরও ৪ সহযোগীসহ
পূর্বপরিকল্পনা করে ঘটনাস্থলে ডাকাতি করতে যায়। কিন্তু লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সকে
ইনফরমেশন অনুযায়ী ৬-৭ লাখ টাকা বাহী মাইক্রোবাস মনে করে করাত দিয়ে রাস্তার
পাশের গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে বর্ণিত ডাকাতি সংঘটন করেছে।
মতলব উত্তর থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ৫৩ দিন পর একটি
ক্লুলেস ডাকাতি ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। পলাতক ৪
জন ডাকাতের সন্ধানে এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান
অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares