শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

হজ পালনের সময় সেলফি তোলা হারাম

হজ পালনের সময় সেলফি তোলা হারাম
প্রিন্ট করুন
বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে যে, হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার সময় অনেকেই সেলফি তোলায় ব্যস্ত সময় থাকেন। বিষয়টি নিয়ে গত বছর সৌদি আরব থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। ওইসব লেখায় বলা হয়েছিল, হজ পালন করতে আসা কিছু মানুষের আচরণ দেখলে মনে হয় তারা আনন্দ ভ্রমণে এসেছেন। হজের সফরেও তারা খ্যাতনামা বিভিন্ন ব্যক্তিদের দেখে তাদের সঙ্গে ছবি তোলার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেন। এমনকি কাবাঘরের সামনে সেলফি তোলা খুবই পরিচিত ও সাধারণ দৃশ্যে পরিণত হয়েছে।

বিষয়টি আবারও সামনে এলো একটি ফতোয়াকে কেন্দ্র করে। ফতোয়াটি প্রদান করেছেন মসজিদুল হারামের দারুল ইফতার সদস্য ও ইসলামি আইনশাস্ত্রের অধ্যাপক মুহাম্মদ আল মাসউদি। ওই ফতোয়ায় তিনি বলেছেন, পবিত্র কাবা ঘরে সেলফি তোলা শিরক।

তিনি বিবৃতিতে বলেন, হযরত অবস্থায় যদি কেউ ছবি তুলে প্রকাশ করে তাহলে সেটা হবে রিয়া (লোক দেখানো ইবাদত)। আর রিয়া শিরকের সমতুল্য।

অধ্যাপক মাসউদির মতে, যে সব ব্যক্তি পবিত্র হজ পালন করতে এসে পবিত্র মক্কা নগরীর বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান, হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনের স্থানসমূহ এসে নিজেদের হজের ছবি বিভিন্ন গণযোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে। সত্যিকার অর্থে তাদের এ কাজ রিয়াতে পরিণত হয়।

মসজিদুল হারামের দারুল ইফতার সদস্য আরও বলেন, সে সব ব্যক্তি হজ পালন করতে এসে নিজের ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তারা হজের পাশাপাশি অন্য আরেকটি কাজে নিয়োজিত হয়। এর ফলে তারা স্বাধীনভাবে, একাগ্রচিত্তে ইবাদত করতে পারে না। আর এ ছবি যখন সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ করে, তখন সেটা রিয়াতে পরিণত হয়। আর রিয়া সর্বাবস্থায় হারাম।

হজ পালনে যেয়ে সেলফি বিষয়ে ইসলামি চিন্তাবিদদের অভিমত হলো, আল্লাহর ঘর কাবা শরিফের আঙিনায় বসে ছবি বা সেলফি তোলা জঘন্যতম অপরাধ। এটা স্পষ্টভাবে পবিত্র কাবার সঙ্গে বেয়াদবি। সরাসরি আল্লাহর হুকুমের সীমালঙ্ঘন।

বস্তুত অপ্রয়োজনে ছবি বা সেলফি পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় তোলা অন্যায় ও নাজায়েজ। কাবা আঙিনায় তো অবশ্যই নাজায়েজ। এখন কেউ যদি ছবি তোলে তবে সে গোনাহগার হবে। কিন্তু এই হারাম কাজ কে যদি হালাল মনে করে তাহলে তার ঈমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠবে।

পবিত্র কোরআন হাদিস ইজমা ও কিয়াসের ভিত্তিতে, পৃথিবীর সব ইমাম ফকিহ ও ধর্ম বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, অতি প্রয়োজন ছাড়া ছবি তোলা আঁকা ও প্রকাশ করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি। কাবার আঙিনায় তো আরও না। সমকালীন মুফতিদের অভিমতও হলো, প্রয়োজন ছাড়া ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা জায়েজ নয়। তবে অনেক মুফতি বলছেন, কম্পিউটার বা মোবাইলের মেমোরি বা ভিন্ন ডাটাবেজে সংরক্ষিত ছবি প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত জায়েজ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ