শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আসামি রেখে সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ!

আসামি রেখে সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ!

কোম্পানীগঞ্জের দরাকুলে আলোচিত বদরুল আমিন হত্যাকাণ্ডের একমাস পার হলেও মূল আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। এ অবস্থায় আসামির পরিবর্তে উল্টো মামলার সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সদস্য নাসির উদ্দিন, নূরুল ইসলাম ও ইমরান খান কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ এমন অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সাক্ষী বাশির মিয়া তাদের সংস্থার লোক এবং এলাকার সজ্জন ও পরোপকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তারা বলেন, নিহত বদরুল আমিনের মা শাহেনা বেগমের দায়েরকৃত মামলায় ৮ জন আসামির নাম উল্লেখ রয়েছে। এদের মধ্যে আইন উল্লাহ, আনোয়ার হোসেনসহ অপর আসামিরা বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। বিশেষ করে আইন উল্লাহ পুলিশ এসল্ট মামলাসহ খোদ তার মায়ের দায়েরকৃত মামলার আসামি। এসব সত্ত্বেও কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার না করে মামলার একজন সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডের আবেদন করা এবং অপর সাক্ষীদের হয়রানি করায় সুবিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আইনের রক্ষক হয়ে পুলিশের এমন ভূমিকায় তারা মর্মাহত বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।

বদরুল আমিন হত্যা মামলার এজহারের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, মেশিন চুরি মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে আনোয়ার হোসেনসহ অপর আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বদরুল আমিনকে হত্যা করে। এখন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, পুত্র হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গত ২৪ মার্চ নিহত বদরুলের মা শাহেনা বেগম সংবাদ সম্মেলন করেন। মামলার অন্যতম সাক্ষী বাশির মিয়ার এ ঘটনার সাথে বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা থাকলে বদরুলের মা সংবাদ সম্মেলনে তা অবশ্যই উল্লেখ করতেন। কিন্তু এখন ‘নিরপরাধ’ বশির মিয়াকে পুত্র হত্যার ঘটনায় জড়িত বলে প্রচার করতে পুলিশ শাহেনা বেগমের উপর চাপ সৃষ্টি করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাশির মিয়ার পরিবারের সদস্যরা এবং বদরুল হত্যা মামলার সাক্ষী নূরুল ইসলাম পুলিশের হয়রানীর বিষয়টি তুলে ধরেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তারা ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া সাক্ষী বাশির মিয়ার পিতা জহুর আলী, মা সমরুননেছা স্ত্রী খালেদা বেগম ও শিশুপুত্র ছালিম এবং কন্যা সানজিদা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে কোম্পানিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

পরে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই খাইরুল বাসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই। মামলা পরিচালনার স্বার্থে যাদের নাম আসবে তাদেরকেই গ্রেপ্তার করা হবে। এখানে আরো কিছু বিষয় আছে তা তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares