শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কপি-পেস্ট থেকে বের হতে হবে: দীপু মনি

কপি-পেস্ট থেকে বের হতে হবে: দীপু মনি
প্রিন্ট করুন

অন্যের থেকে নকল করার মানসিকতা পরিহার করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, অপরেরটা কপি-পেস্ট না করে সৃজনশীল কাজের প্রতি জোর দিতে হবে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিপিও সামিট-২০১৯ এর প্রথমদিনে এক গোল টেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন দীপু মনি।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে ইনোভেশন (সৃজনশীলতা) খুব দরকার। প্রতিযোগিতায় শুধু টিকে থাকতে না, বরং দারুণ কিছু করতে হলে ইনোভেশন দরকার। কপি-পেস্টের মানসিকতা পরিহার করতে হবে আমাদের।

‘তরুণরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, তারাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ। আমাদের বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে চাই। এরজন্য বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা আমরা প্রণয়ন করতে হবে।’

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, আমাদের শেখানোর পদ্ধতি অনেক বেশি বইনির্ভর। এটাকে আরও বাস্তব অভিজ্ঞতা নির্ভর করতে হবে।

বিপিও খাতে বাংলাদেশের উন্নতির জন্য প্রাইভেট ও পাবলিক খাতকে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান দীপু মনি। একই সঙ্গে এই খাতের ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকেও যুগপতভাবে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, বিপিও খাতের উন্নতি ‘গতকাল ‘ এর লোক দিয়ে হবে না; ‘আগামীকাল’ এর লোক লাগবে। আর আমাদের উন্নতি করতে হলে আমাদের যেসব সম্পত্তি আছে সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। এটা ঠিক যে, ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের মধ্যে কিছু বিভক্তি আছে। তবে এগুলো দ্রুত কেটে যাবে। এরজন্য একটি কৌশল তৈরি করতে গুরুত্বারোপ করতে হবে।

এসময় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এর পরিচালক ফজলুল হক বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কোনো ব্যবস্থা না। এখনো আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা মান্ধাতা আমলের রয়ে গেছে। আমাদের দরকার কর্মমুখী শিক্ষা। একটা ছেলেকে অনার্স মাস্টার্স করার পর চাকরির জন্য অন্য কোথাও গিয়ে ট্রেনিং নিতে হয়। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার দরকার কি? ডিপ্লোমা করলেই তো হয়। যারা ডিপ্লোমা করেন তাদের মধ্যে বেকারের সংখ্যা কম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েটদের মধ্যে বেকারের হার বেশি।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের মহাসচিব মুনির হাসানের মডারেশনে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসিয়াইপি এর নির্বাহী প্রকল্প পরিচালক জালাল আহমেদ, ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান, নাইমা মরিয়ম, হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের মুখ্য পরামর্শক ইমরান কুনালান বিন বিন আবদুল্লাহ, ড্রিম ট্যু রিয়েলিটি এর মেরিন অপারেশন প্রধান পল প্যাজেট, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম মৃধা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিক্স এবং মেকানিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. লফিফা জামাল এবং টেকনোলজি কনসাল্টিংয়ের অংশীদার অরিজিৎ চক্রবর্তী।সূত্র– বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares