মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

চাটমোহরে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা শুরু

চাটমোহরে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা শুরু
প্রিন্ট করুন
পাবনার চাটমোহরে বড়াল নদের পাড়ে বোঁথর গ্রামে শুরু হয়েছে হাজার বছরের ঐহিত্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা। শনিবার (১৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে তিন দিন। শেষ হবে আগামী সোমবার (১৫ এপ্রিল)। হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বহু বছর ধরে চলে আসা এ চড়ক মেলা এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যেও প্রথম দিনেই ঢল নেমেছে ভক্তদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল পাট ঠাকুরের পাটে ধুপ দেওয়া এবং ১২ এপ্রিল মন্দিরে মহাদেবের অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয় চড়ক পূজার আনুষ্ঠানিকতা। শনিবার দুপুর ১২টায় চড়ক গাছ দিঘীর পানি থেকে তোলা হয় প্রায় ১৩ হাত দৈর্ঘ্যরে শালগাছ। যা চড়ক গাছ নামে পরিচিত। এরপর মনোবাসনা পূরণের আশায় সেই গাছে তেল, দুধ, চিনি, মাখন ঢালেন ভক্তরা। এছাড়াও আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে ছিল ভরন চালান, কালী নাচ, পাঠাবলি, ফুল ভাঙা, হাজরা ছাড়াসহ আনুসাঙ্গিক পূজা অর্চণা। তবে পূজা ও মেলাকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। শুধু বাংলাদেশই নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছেন পুণ্যার্থীরা। মেলা প্রাঙ্গনে বসেছে নাগরদোলা। এছাড়াও নানা ধরেণর পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানীরা।

চড়ক পূজার উৎপত্তি সম্পর্কে বোঁথড় গ্রামের বাসিন্দা ও চড়ক পূজার পুরোহিত সৌমেন চক্রবর্তী ওরফে ভুতে ঠাকুর জানান, শুনেছি বান রাজার আমল থেকে (৭০০ বছর আগে) এখানে চড়কমেলার সূচনা হয়। প্রথম চড়কগাছ স্থাপন করেছিলেন মাখন স্যানাল নামের এক কাঠ ব্যবসায়ী। আসাম থেকে কিনে আনা হয়েছিল চড়ক গাছ। আর মাখনের স্ত্রীকে স্বপ্নের মাধ্যমে দেবতা মহাদেব জানিয়ে দেন, চড়ক হয়ে তিনি এখানে এসেছেন। তাকে স্থাপন করে যেন পূজা দেয়া হয়। সেই থেকে স্যানাল ও আচার্য পরিবার পূজা শুরু করেন হলদার ও সূত্রধরদের পরিবারদের সঙ্গে নিয়ে।

বোঁথড় চড়ক পূজা ও মেলা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিংকর সাহা জানান, কমিটির পক্ষ থেকে পূজায় আসা ভক্তদের জন্য নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সবাই যাতে নিরাপদে পূজার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন, সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োগ করা হয়েছে। ওপার বাংলা থেকেও অনেক ভক্ত এসেছেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পূজা ও মেলা চলছে। আশা করি সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে পূজা ও মেলা শেষ হবে।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ নাসীর উদ্দিন জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আনসার সদস্যের পাশাপাশি থানার সব পুলিশ অফিসার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। পুরো মন্দির প্রাঙ্গন সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে শনিবার বিকেল ৫টায় বোঁথর মহাদেব মন্দির প্রাঙ্গনে নব নির্মিত শ্রী শ্রী হরিমন্দির ও নাট মন্দিরের শুভ উদ্বোধন করেন ভারতীয় দূতাবাসের (রাজশাহী) সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জিব কুমার ভাট্টি।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিরেন্দ্র নাথ দাসের সভাপতিত্বে ধর্মীয় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. মকবুল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ মাস্টার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার, পৌর মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল, সহকারী পুলিশ সুপার ফজল-ই খুদা পলাশ, থানার ওসি সেখ নাসীর উদ্দিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ