মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

বরিশাল বিভাগে ১২ আ.লীগ, ৭ বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়

বরিশাল বিভাগে ১২ আ.লীগ, ৭ বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়
প্রিন্ট করুন
পঞ্চম উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে বরিশাল বিভাগের চার জেলার ২১ উপজেলায় শেষ হলো নির্বাচন। বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ, জাল ভোটের চেষ্টা এবং ভোটার অনুপস্থিতির মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৩১ মার্চের সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণের কার্যক্রম। এর আগে ১৫ টি উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন হয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ওইসব উপজেলার প্রার্থীরা। এদিকে আজকের ভোটে ২১টি উপজেলার মধ্যে ১৯ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি দুটিতে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হওয়া ওই ১৯টি উপজেলায় ১২টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থিরা। বাকি ৭টি উপজেলায় জয পেয়েছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা।

বিভিন্ন উপজেলার নির্বাচন অফিসের বরাত দিয়ে প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে বিজয়ী ওইসব প্রার্থীদের নাম। এরমধ্যে পটুয়াখালী জেলার সবগুলো উপজেলায় আওয়ামী লীগ জয পেয়েছে। তারা হলেন-পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট গোলাম সরওয়ার, মির্জাগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, দুমকিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ হারুন অর রসিদ হাওলাদার, বাউফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল মোতালেব হাওলাদার, গলাচিপায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ শাহীন শাহ্, কলাপাড়া উপজেলাড পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এস,এম, রাকিবুল আহসান বেসকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩০৯ ভোট। তার নিকটতম বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কা পেয়েছেন ২৬ হাজার ৪৬৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে শফিকুল আলম বাবুল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শাহিনা পারভীন সীমা বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া জয় পেয়েছেন, পিরোজপুর জেলার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান খালেক, কাউখালী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সাঈদ মিয়া মনু, ইন্দুরকানিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিউর রহমান, নেছারাবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হক, নাজিরপুর আওয়ামী লীগের প্রার্থী অমূল্য রঞ্জন হালদার।

ভোলা জেলার তজুমউদ্দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেন, লালমোহনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। সূত্র জানায়, তজুমদ্দিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. ফজলুল হক দেওয়ানকে ১৩ হাজার ১৫৫ ভোটে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) মোশারেফ হোসেন দুলাল। এ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৯২ ভোট ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৩৭ ভোট। এ উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মহিউদ্দিন পোদ্দার তালা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন এবং মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে কলস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন ফাতেমা বেগম সাজু। অপরদিকে লালমোহন উপজেলায় ২৮ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএম নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১৭ হাজার ৩৬৬ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে আবুল হাসান রিমন তালা নিয়ে ২৮ হাজার ৬৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফখরুল আলম হাওলাদার পেয়েছেন উড়োজাহাজ নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১ ভোট। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মাসুমা বেগম হাঁস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২ হাজার ১৩৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আফরোজা শিখা কলস নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ১১৭ ভোট। এছাড়াও দৌলতখান উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম খান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী আইনুন নাহার বিনু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শুধুমাত্র পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়েছে। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ছিদ্দিকুর রহমান।

বরগুনা সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম, বেতাগীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাকসুদুর রহমান ফোরকান, বামনায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইতুল ইসলাম লিটু, আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান ৬০টি কেন্দ্রে আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৫ হাজার ৬ শত ২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব সামসুদ্দিন ছজু তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩শত ৩৬ ভোট। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব জি এম দেলওয়ার হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ১২ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. মজিবুর রহমান টিয়া পাখি প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ২ শত ২৩ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান “ টিউবওয়েল ”প্রতীক নিয়ে ২৭ হাজার ৫ শত ২১ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তামান্না আফরোজ মনি “কলস” প্রতীক নিয়ে ৩২ হাজার ৩৮ ভোট পেয়ে বে সরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন মাকসুদা আক্তার জোসনা “হাঁস ” প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬ শত ৪৫ ভোট। পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা গোলাম কবির (আনারস) প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন। মোস্তফা গোলাম কবির তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৫৩ ভোট।নৌকা মার্কার প্রার্থী আলমগীর হোসেন (দাদু) পেয়েছেন ১১ হাজার ৮০২ ভোট।পুরুষ ভাইসচেয়ারম্য হাফিজুর রহমান সোহাগ তালা-২১ হাজার ৪৫৪,শওকত হাসানুর রহমান টিউবয়েল প্রতিকে ১৩ হাজার ৮৭২ মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান ফাতিমা পারভিন কলস প্রতিকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৯৪ এবং ইয়াসিনআরা কচি ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ২৩৭। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন।

এছাড়া ভান্ডারিয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাতীয়পার্টি জেপির উপজেলা যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ভিটাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান মৃধা বাইসাইকেল প্রতিক নিয়ে ২৫ হাজার ৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে উপজেলা পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। এতে একটি পদের বিপরীতে পাঁচ জন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মধ্যে বাকি চার জনের মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মো. ফরিদ উদ্দিন (স্বতন্ত্র) টিউবয়েল প্রতিক নিয়ে ১২০৩ ভোট পেয়েছেন। অন্য তিন জনের মধ্যে অহিদুজ্জামান অপু (স্বতন্ত্র) উরোজাহাজ প্রতিকে ১০৭৮, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান (স্বতন্ত্র)খান মো. রুস্তুম আলী চসমা প্রতিকে ৬০৩ এবং শাহাদাৎ হোসেন (স্বতন্ত্র) তালা প্রতিকে ১৩৪ ভোট পেয়েছেন। উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নের ৫১টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১লাখ ,৯হাজার, ৬৭৫জন এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৪হাজার ৮৩০ ও নারী ভোটার ৫৪ হাজার ৮৪৫জন। মোট ভোট কাস্ট হয় ২৮হাজার ১৯ ভোট। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৯৮ ভোট। প্রাপ্ত ভোটের হার প্রায় ২৬%। উল্লেখ্য; আওয়ামী লীগ মনোনিত এবং জাতীয়পার্টি জেপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয়পার্টি জেপি মনোনিত এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত জেপির মহিলা পার্টির উপজেলা সভানেত্রী এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আখতার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া বরিশাল বিভাগের ২১টি উপজেলা হলো, পটুয়াখালি জেলার পটুয়াখালি সদর, দশমিনা, গলাচিপা, কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, দুমকি, বাউফল। ভোলা জেলার দৌলতখান, তজমুদ্দিন, ও লালমোহন উপজেলা। বরগুনা জেলার বরগুনা সদর, আমতলী, বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা উপজেলা। পিরোজপুর জেলার পিরোজপুর সদর, ইন্দুরকানী, কাউখালি, ভান্ডারিয়া, নেছারাবাদ, নাজিরপুর।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ