শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ভারতে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যায় বাংলাদেশ থেকে

ভারতে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যায় বাংলাদেশ থেকে
প্রিন্ট করুন

ভারতের ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশন দপ্তরের হিসেব মতে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পর্যটক যায় বাংলাদেশ থেকেই। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৮ সালের এ রিপোর্টটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে রিপোর্টে মূলত ২০১৭ ও ২০১৮ সালের একটি অংশের তথ্য উঠে এসেছে।

২০১৭ সালে এক কোটির বেশি বিদেশি পর্যটক ভিসায় ভারত ভ্রমণ করেছে যা আগের বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি। বিদেশি মুদ্রা বিনিময় থেকে দেশটি আয় করেছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭৪ কোটি রুপি। ২০১৭ সালে যেসব দেশ থেকে বেশি সংখ্যায় পর্যটক ভারতে গেছে তার শীর্ষে আছে বাংলাদেশ।

রিপোর্ট অনুযায়ী ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৭ জন বাংলাদেশি পর্যটক ভিসায় ভারতে গেছে যেখানে দ্বিতীয় স্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের সংখ্যা ছিলো ১৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯১৯ জন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পর রয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্স।

আর পর্যটন খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে ২০১৭ সালের আয় ছিল প্রায় তের বিলিয়ন ডলার যেখানে ২০১৮ সালের প্রথম ছয় মাসেই আয় হয়েছে সাড়ে ১৪ বিলিয়ন ডলারের মতো। ভারতে এসে কীরকম খরচ করেন বাংলাদেশিরা?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ রাশিদুল হাসান বলছেন ভারতে বাংলাদেশি পর্যটক ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ ভারতীয় ভিসা নীতি সহজীকরণ এবং নতুন নতুন আকর্ষণীয় জায়গা উন্মুক্ত করে দেওয়া।

সৈয়দ রাশিদুল হাসানের মতে যেসব কারণে ভারতে বাংলাদেশি পর্যটক অনেক গুণ বেড়ে গেছে তার মধ্যে আছে। ঢাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সি রহমান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস এর কর্ণধার কাজী মোহাম্মদ জহির বলছেন দেশে নতুন কারও পাসপোর্ট হলেই তিনি চেষ্টা করেন পাসপোর্টে ভারতের ভিসা নিতে।

“তরুণদের অনেকেই মনে করে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে যেতে হলে আগে ভারতের ভিসা পাসপোর্টে থাকলে সুবিধা হবে। এমনকি দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের প্রথম বিদেশ ভ্রমণ হিসেবে ভারতেই যায়”।

জহির বলছেন তবে নিরেট ভ্রমণ করতে যারা যান তাদের চেয়ে কেনাকাটার জন্য যাওয়া লোকের সংখ্যা খুব একটা কম না। “আগে শুধু কোলকাতা নিউমার্কেট থেকে কেনাকাটা করতো মধ্যবিত্ত অনেকে। এখন মুম্বাই দিল্লী কিংবা চেন্নাই পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশিদের ভিড় দেখা যায়। বিশেষ করে ঈদ বা পূজার আগে অসংখ্য মানুষ ভারতে যায় কেনাকাটার জন্য।”

তিনি বলেন ঢাকার বহু ট্রাভেল এজেন্সি কোলকাতা, দিল্লী, মুম্বাই, কাশ্মীর, কুলু, মানালিতে প্যাকেজ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই যাচ্ছে বিভিন্ন বয়সী পর্যটকরা।

দল বেঁধে ঘুরে এসেছেন পাঞ্জাব, দিল্লী, উত্তরপ্রদেশ, লাদাখ, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, মেঘালয়, সিকিম, রাজস্থান ও হরিয়ানা ছাড়াও বহু জায়গা।

তিনি বলেন, “বৈচিত্র্য যাকে বলে সেটি ভারতেই পাওয়া সম্ভব। মরুভূমি, বরফ, পাহাড়, সমুদ্র, পর্বত— সবই আছে সেখানে। আবার অনেকেই বই পুস্তকে যেসব ঐতিহাসিক স্থাপনার কথা পড়েছি তার প্রায় সবই ভারতে যেমন তাজমহল, কুতুবমিনার কিংবা ফতেহপুর সিক্রির মতো অনেক কিছুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জানা। সে কারণেই তারা এগুলো দেখতে খুব আগ্রহী থাকে”।

“আমরা মেঘালয়ের ঝর্ণা কিংবা গুহায় যেমন বাংলাদেশিদের দেখেছি তেমনি নাগাল্যান্ডের ধনেশ উৎসবে গিয়েও পেয়েছি বহু বাংলাদেশি পর্যটককে”। তিনি বলেন সিলেটের কাছে ডাউকি দিয়ে শিলং যাওয়ার রুট এখন সবসময় সরগরম।

“৩/৪ দিন এক সঙ্গে ছুটি হলেই আপনাকে ডাউকি বর্ডারে দীর্ঘ ইমিগ্রেশন লাইনে পড়তে হবে। কাছে হওয়াতে পারিবারিক ছুটি কাটাতেও অনেকের জন্য ভারতে যাওয়াই সুবিধা”।

সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares