সোমবার, ২৪ Jun ২০১৯, ১০:০৮ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কচুয়ায় পাকা করা কাঁচা রাস্তা দুই দিনে ফাঁকা

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পরিদর্শন

কচুয়ায় পাকা করা কাঁচা রাস্তা দুই দিনে ফাঁকা
প্রিন্ট করুন
কচুয়া উপজেলার মনপুরা গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। সে কাঁচা রাস্তার ২০১৯ সালের মে মাসে পাকা কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার রাস্তাটি পাকাকরণের ঢালাই দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামবাসী এসে দেখেন পিচ ঢালাই রাস্তা কার্পেটের মতো উঠে যাচ্ছে। এভাবে কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের দুই দিনেই ফাঁকা হয়ে গেল।

বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় ঠিকাদার মোঃ সুমন প্রধানীয়া। তিনি বলেন, এলাকার কিছু লোকজন হাত দিয়ে পিচ ঢালাই উঠিয়ে ফেলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কচুয়া-কাশিমপুর সড়কের মনপুরা গ্রামের ভেতরে ৪ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের টেন্ডার হয় ২০১৫ সালে। শুরু থেকেই নানা অনিয়ম ও নিম্নমানের ইট সামগ্রী (উপকরণ) দিয়ে কাজ করে ঠিকাদার রাস্তা করে ফেলে রাখে প্রায় দুই বছর। এতে পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়।

স্থানীয় অধিবাসী মোহাম্মদ সাকিব বলেন, মন্থর গতির এই কাজে ব্যবহৃত হয় ইট-বালু ও পাথর। এগুলো সবই নিম্নমানের। রাস্তার দু’পাশের রেলিংয়ের ক্ষেত্রে নম্বরের ইট ব্যবহারের বদলে ব্যবহার করা হয় পিকেট, মাটি দিয়ে যা দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, পিচ ঢালাই দেয়ার আগে রাস্তা পাকাকরণে বিটুমিন না দিয়ে পিচ ঢালাই দিয়ে যায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার। সড়কটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার মুঠোফোনের সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলিমা আফরোজ বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। স্থানীয় প্রকৌশলীকে সরেজমিনে দেখে কাজ নিম্নমানের হলে কাজ বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

যতোদূর জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার মনপুরা গ্রামের ভেতরে ৪ কিলোমিটার সড়কের জন্যে প্রায় তিন কোটি টাকা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বরাদ্দ দেয়া হয়।

এদিকে মনপুরা গ্রামের নতুন নির্মাণাধীন রাস্তার পিচ ঢালাই হাত দিয়ে উঠে যাওয়ার ঘটনা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের ঘটনায় কচুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান শিশির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, আমি প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে দেখেছি। কাজ নিম্নমানের হওয়ায় পুনরায় এ কাজ করার জন্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares