বৃহস্পতিবার, ২৭ Jun ২০১৯, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

রোগী দেখতে দেরী, হাসপাতালে যে কাণ্ড করলেন যুবলীগ সভাপতি

রোগী দেখতে দেরী, হাসপাতালে যে কাণ্ড করলেন যুবলীগ সভাপতি
প্রিন্ট করুন
লক্ষ্মীপুর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক শিশু ডাক্তারের চেম্বারে সিরিয়াল দিতে দেরি হওয়ায় দলবলসহ চেম্বারে গিয়ে ভাঙচুর ও কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর লক্ষ্মীপুর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বেলাল হোসেনের চেম্বারে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ডা. বেলাল হোসেনের চেম্বারের কর্মচারী শিমুলসহ পাঁচজন আহত হয়েছে।

যুবলীগ নেতার তাণ্ডবের সময় পুরো হাসপাতালজুড়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ না করলেও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নগর পিতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানান, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চারঘাট এলাকার এক রোগীকে দেখানোর জন্য চিকিৎসককে ফোন করে লক্ষ্মীপুর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বেলাল হোসেনের চেম্বারে পাঠান। এ সময় চিকিৎসক বেলাল হোসেন কয়েক মিনিট অপেক্ষার জন্য তাকে অনুরোধ করলে ইফতারির ঠিক আগমুহূর্তে জেলা যুবলীগ সভাপতি ১৪-১৫ সহযোগী নিয়ে নিজেই পপুলারে ডা. বেলাল হোসেনের চেম্বারে সামনে গিয়ে তার রোগীকে কেন বসিয়ে রাখা হয়েছে জানতে চেয়ে চেম্বারের বাইরে সিরিয়ালের দায়িত্বে নিয়োজিত চিকিৎসকের কর্মচারী শিমুলকে (৩৪) লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন আবু সালেহ।

একপর্যায়ে শিমুল মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে অন্য কর্মচারীরা তাকে রক্ষা করতে ছুটে আসেন। যুবলীগ নেতার সহযোগীরা তাদেরও লাথি কিলঘুষি মারতে থাকেন। পরে সালেহ বাইরে থেকে চিকিৎসকের চেম্বারের দরজায় লাথি মারতে থাকেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। কিছুক্ষণ পর সালেহ তার সহযোগীদের নিয়ে পপুলারের ম্যানেজার শামীম হোসেনের চেম্বারে গিয়ে সেখানেও ভাঙচুর চালান।

এসময় ম্যানেজার চেম্বারে না থাকায় তার দুই কর্মচারীকে মারধর করেন সালেহ ও তার লোকজন। প্রায় ২৫ মিনিট তাণ্ডব চালিয়ে সহযোগীদের নিয়ে ফিরে যান সালেহ।

এ বিষয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার শামীম হোসেন জানান, যুবলীগ নেতার তাণ্ডবের সময় পুরো হাসপাতালজুড়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর আহত শিমুলসহ পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বিষয়টি রাজশাহীর মেয়রকে আমরা জানিয়ে বিচার দাবি করেছি।

তার চেম্বারে এমন হামলার কারন বিষয়ে জানতে চাইলে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বেলাল হোসেন বলেন, এত বড় একজন যুবলীগ নেতা নিজেই এমন একটা হামলার ঘটনা ঘটাল ভাবা যায় না। তিনি বলেন, তার সুপারিশ করা রোগীকে আগে কয়েকবার দেখা হয়েছে। চেম্বারের ভেতরে কয়েকজন শিশু রোগী থাকায় যুবলীগ নেতার রোগীকে মাত্র ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। হামলার সময় তার রোগী চেম্বারের ভেতরে ছিলেন। এরইমধ্যে উনি দলবল নিয়ে ক্লিনিকে এসে পড়েন এবং এসব তুলকালাম কাণ্ড ঘটান।

এদিকে লক্ষ্মীপুর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শিশু ডাক্তারের চেম্বারে হামলার ঘটনা সম্পর্কে জানতে রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহর মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রাজশাহী রাজপাড়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ব্যপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares