মঙ্গলবার, ২৩ Jul ২০১৯, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কানাডা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আজিজুর রহমান প্রিন্স এর খোলা চিঠি

কানাডা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আজিজুর রহমান প্রিন্স  এর খোলা চিঠি

কানাডা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আজিজুর রহমান প্রিন্স খোলা চিঠি প্রেরণ করেছে ।খোলা চিঠিতে পত্রিকায় বা গনমধ্যমে ব্যক্তির বিরোদ্ধে মিথ্যাচার এবং অসত্য লিখে অন্যকে হেয়প্রতিপন্ন করা ঘৃন্য কৌশল। বিস্ময়কর ভাবে কিছু চিহ্নিত লোক প্রায়ই এমন যঘন্য প্রচারনা চালিয়ৈ যাচ্ছে । টরেন্টোতে পত্রিকার পাঠক কম না, পাঠকরাও এসব দেখে এখন বিব্রত। পত্রিকায় লেখালেখি প্রত্যাশিত, সমালোচনা ও অনাকংখিত নয়, তবে মিথ্যাচার কোনভাবেই কাম্য নয়। সম্প্রতি কানাডা আওয়ামী লীগের প্যডে দপ্তর সম্পাদক এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি স্বাক্ষরিত একটি খোলা চিঠি ছাপা হয়েছে। নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গনতান্ত্রিক অধিকার,। দলের কর্মী হিসাবে দলেই তা উত্থাপন করবেন দলীয় ফোরামে। যিনি দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তার এখতিয়ার আছে দলের সভা ডেকে সংশ্লিষ্ঠদের কাছে অনিয়মের ( যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে) কৈফত চাওয়ার। সেই ফোরামেও যদি অনুযোগ নিস্পত্তি করা না যায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে বহিস্কার করারও বিধান দেওয়া আছে গঠনতন্ত্র। তা না করে দলের সভাপতি হিসাবে কারও বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখে কি সভাপতি তার যোগ্যতা/ ক্ষমতা অপব্যবহার করেছেন নাকি দলের গঠন্তান্ত্রিক বিধান অমান্য করেছেন? সভাপতি কিংবা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি যে কোন বিষয়ে সেক্রেটারিকে নির্দেশ দিবেন সভা ডাকার। সেক্রটারি সভা ডাকতে ব্যর্থ হলে বা অস্বিকৃতি জানালে সভাপতি নীজেই সভা আহবান করতে পারেন। তা না করে পত্রিকায় সেক্রেটারির বিরুদ্ধে অভিযোগ লিখে খোলা চিঠি দেওয়া অন্যায় এবং দলের / গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি। পত্রিকায় খোলা চিঠি দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শুধু গঠন্তন্ত্রের বিরুদ্ধাচরনই করেননি ক্ষমতার অপব্যবহারও করেছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অন্টারিও আওয়ামী লীগ এবং কুইবেক আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার ব্যখ্যা দেওয়া প্রয়োজন মনে করছি। দলের অভ্যান্তরে বহুদিনের দাবী ছিল সম্মেলনের। বিগত জুন মাসে দলনেত্রী শেখ হাসিনা টরেন্টো সফরকালে সকলেই কানাডা আওয়ামী লীগের সম্মেলন দাবী করেছিল যেহেতূ, সভাপতি কানাডায় থাকেন না। জননেত্রী শেখ হাসিনা সব শুনে, নির্দেশ দেন সব (সম্ভব্য) প্রদেশের সম্মেলন সম্পন্ন করার। প্রাদেশিক সম্মেলন সমাপ্ত হলে সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে কানাডা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করার নির্দেশ প্রদান করেন।
জননেত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সকলের মতামতের ভিত্তিতে সম্মেলনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি কমিটিও গঠন করা হয়, এবং সকল প্রাদেশিক/ সিটি কমিটি ঘোষনা দিয়ে বাতিল করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোন রকম নিয়ম নীতি তোয়ক্কা না করে সেই সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি এবং কোওপ্ট করা সব কমিটি বাতিল করে দেন সভাপতি। মোহাম্মদ হাসান কে অন্টারিও আওয়ামী লীগের সভাপতি হিবে মৌখিক অনুমোদন দিয়ে সভাপতি লন্ডন চলে যান। এর পর থেকেই শুরু হয় আরেক ষরযন্ত্র, ঢাকায় অবস্থানকারি এক বিশেষ ব্যক্তির পরামর্শ ছাড়া কমিটি করা যাবেনা বলে সভাপতি টালবাহানা শুরু করেন। এ বিষয় নিয়ে সভাপতির সংগে সেক্রেটারীর মতবিরোধ শুরু হয়। অবশেষে সেক্রেটারি সম্মেলনের পর্ব পর্জন্ত স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানোর জন্য সভাপতির পছন্দের মোহাম্মদ হাসানকেই অন্তরবর্তিকালীন আহবায়ক করার প্রস্তাব করেন । জনাব সভাপতি সেক্রেটারির এই প্রস্তাবে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরন প্রদর্শন করেন। সেক্রেটারি
মোহাম্মদ হাসানকে সম্মেলনের আগ পর্যন্ত অন্টারিও আওয়ামী লীগের আহবায়ক করেন এবং দলের নেতার কর্মীরাও সানন্দে তা গ্রহন করেন।
অন্টারিও আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি ঘটনের পর থেকেই সভাপতির নির্দেশে দলের অভ্যান্তরে বিভক্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে কিছু ব্যক্তি আঞ্চলিকতার সুর তুলে যা যা করেছে তা কাঙ্ক্ষিত নয়। সেক্রেটারী সম্মেলনের বিষয়ে কেন্দ্রের অনুমুতি চেয়ে চিঠি দেন এবং কেন্দ্রের নির্দেশেই নির্ধারিত তারিখে সম্মেলন আয়োজন করেন। জনাব সভাপতিকেও সম্মেলন সম্পর্কিত সব কিছু অবহিত করা হয় এবং তার সম্মতি নিয়েই সম্মেলনের তারিখ নির্ধারন করা হয়। বিগত ১৮ বছরে এটাই সভাপতির সংগে সেক্রেটারির মতপার্থক্য। শোনা যায় এই মতপার্থক্যও ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ঠ। এ বিষয়ে একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির সাথে সেক্রেটারির বিশদ আলোচনা হয়েছে এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কি বলেছেন তা তিনিই জানেন।
এই ঘটনা যদি কারও চরিত্র হরন করার মত হয় তা পাঠকরাই বিবেচনা করবেন। যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে তা অসত্য বলে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করিনা। তবে এমন অভিযোগ কারীরা এই প্রয়াস অব্যহত রাখলে, নিয়মাতান্ত্রিক ভাবেই সব সত্য উদ্ঘাটন করে লিখতে হবে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সব বিষয়ে অবগত আছেন এবং কেন্দ্রই সিদ্ধান্ত নিবেন দলের পরবর্তি করনিয় কি হবে। যারা অসত্য আর অসভ্য আচারন করে গনমাধ্যমে প্রচারনা চালান তাদের উদ্দেশ্যে বলি, খুব নীচু আচরন দেখিয়েছেন পত্রিকায় অসত্য লিখে। দলের পদ ধরে রাখার নিমিত্তে আমি কখনোই চেষ্টা করিনি বরং বার বার অব্যহতি চেয়েছি। কেন তা সম্ভব হয়নি, তা যারা অভিযোগ লিখে পাঠিয়েছেন তারাও জানেন। দলের ৭০ বছর পুর্তি উপলক্ষে দলের সেক্রেটারি হিসাবে আবারও দলের সকলের প্রতি উদাত্য আহবান জানাই, আসুন মতপার্থক্য ভুলে দলকে কানাডায় একটি শক্তিশালী আওয়ামী লীগ গঠন করি। ব্যক্তিগত আক্রোশ আর সংকির্ন মনোবৃত্তি গনমাধ্যমে প্রকাশ করে নীজেদের ছোট করা থেকে বিরত থাকুন।। মনে রাখবেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড় আর দলের চেয়ে বড় দেশ।

আজিজুর রহমান প্রিন্স
সাধারণ সম্পাদক
কানাডা আওয়ামী লীগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares