শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

চাকরি হারানোর আশঙ্কায় ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তারা

চাকরি হারানোর আশঙ্কায় ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তারা

সম্প্রতি দেশের বেসরকারি ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তারা চাকরি হারানোর আশঙ্কায় আছেন। ব্যাংকগুলোর অসম প্রতিযোগিতার কারণে তারা বিভিন্ন কৌশলে কর্মীদের ছাঁটাই করছেন। ফলে কর্মীদের কাজের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং অনেক কর্মী বাধ্য হয়ে চাকরি থেকে অবসর নিচ্ছেন।

ব্যাংকের এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি সহকারী শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাংকে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রায় ২৩ বছরের কর্মজীবনে কোনো সমস্যা না হলেও এখন ছাঁটাই আতঙ্কে ভুগছেন।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোতে এখন নতুন নতুন নেতৃত্ব আসছে। তাদের নতুন নতুন চিন্তা-ভাবনা আছে। কর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হচ্ছে। তাছাড়া অস্থির পরিবেশে কাজও করা যায় না। তাই চাকরি ছেড়ে চলে যাব। তবে শুধু আমি নয়, আমার মতো এ রকম শত শত প্রবীণ ব্যাংকার এখন ছাঁটাই আতঙ্কে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সবসময় বেশি আয়ের কৌশল খুঁজে। যে পন্থায় আয় বেশি হবে, তারা তা গ্রহণ করে। আর খরচ কমাতে কর্মী ছাঁটাই একটি পুরোনো কৌশল। বেসরকারি ব্যাংকও এখন অন্য প্রতিষ্ঠানের মতো এ নীতি অনুসরণ করছে।

তারা আরও বলেন, ব্যাংকগুলোতে এখন নতুন নেতৃত্ব আসছে। এর মধ্যে অনেকেরই আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান রয়েছে। তারা পরিবর্তন পছন্দ করেন। তাই ব্যাংকগুলো পুরোনো লোকের বদলে প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পূর্ণ কর্মী নিচ্ছেন। এছাড়া সিনিয়র কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বেশি হওয়ায় তাদের বাদ দিয়ে খরচ কমানোর কৌশল খুঁজছে।

বেসরকারি একাধিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলো এখন বিভিন্ন কৌশলে খরচ কমাচ্ছে। আর এর মধ্যে অন্যতম কর্মী ছাঁটাই। এ ছাঁটাইয়ের তালিকায় বেশিরভাগই থাকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। খরচ কমাতে প্রথমে ছাঁটাইয়ে জন্য টার্গেট করে সিনিয়র কর্মকর্তাদের। এসসিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রিমিয়ার, ডাচ্-বাংলা, মার্কেন্টাইলসহ বেশকিছু ব্যাংক তাই এমন কৌশল অবলম্বন করছে।

অন্যদিকে বেসরকারি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এনসিসি ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ জানান, আধুনিক ব্যাংক ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারায় তাদের ছাঁটাই করা হবে। বিনা অভিযোগে কাউকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি। আর যে সব কর্মীর সমস্যা ছিল, তাদের বিআইবিএমে ট্রেনিং দিয়েছি। এদের মধ্যে যারা ভালো করেছে, তাদের প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। আর পারফরম্যান্সের কারণে কারও চাকরি যাবে না বলেও জানান তিনি।

তবে এনসিসির এমডি ব্যাংকের চাপে অনেকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে- এমন অভিযোগকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, যারা চাকরি ছেড়েছে তারা ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়নি বরং নিজেরাই সসম্মানে চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, চাকরির নিরাপত্তা যে কোনো কর্মীর জন্য জরুরি। প্রতিটি ব্যাংকে কর্মী নিয়োগ ও ছাঁটাইয়ে একটি নিয়মনীতি আছে। কোনো ব্যাংক যদি নিয়ম-বর্হিভূতভাবে কর্মী ছাঁটাই করে, সেটি সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তাছাড়া কোনো ব্যাংককার যদি অভিযোগ করে, আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares