বুধবার, ১৭ Jul ২০১৯, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ছয় বছর আগে নির্মাণ হলেও চালু হয়নি এই কলেজ

ছয় বছর আগে নির্মাণ হলেও চালু হয়নি এই কলেজ
প্রিন্ট করুন
‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’। প্রবাদে এমনটা বলা হলেও দেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চল এখনও শিক্ষার আলোর অভাবে পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে শহরের তুলনায় গ্রামে শিক্ষার হার অনেক কম। গ্রামের মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে শেরপুর জেলার সদর উপজেলার দেশরত্ন শেখ হাসিনা নগরে (মধ্যের চর) স্থাপন করা হয়েছে মন্মদ দে মহাবিদ্যালয়।

২০১৩ সালে মধ্যের চর ইউনিয়নের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে দিতে স্থাপন করা হয় এই কলেজটি। কিন্তু ছয় বছর আগে কলজের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হলেও এখনও আলোর মুখ দেখতে পায়নি এই কলেজ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কলেজের শ্রেণী কক্ষ গুলোতে তালা ঝুলানো রয়েছে। কলজের মাঠে পড়ে রয়েছে ধানের খড় ও গরু-ছাগল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলজের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ মাহুমুদুল হাসান তুহিন বলেন, আমরা ছয় বছর আগে এই চর এলাকায় কলেজ প্রতিষ্টা করার উদ্যোগ নেই। ইতোমধ্যে কলেজের জমি সংগ্রহ, ভবন নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পাইনি। স্থানীয় সাংসদ আতিকুর রহমান আতিক যদি একটু সহযোগিতা করেন তাহলে আমরা ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করে পাঠ কার্যক্রম শুরু করতে পারি।

 

এলাকাবাসী হামিদুল ইসলাম জানান, আমাদের এই এলাকার মধ্যে কোথাও কোনও কলেজ নেই। আমাদের ছেলে-মেয়েদের দূরে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। মাধ্যমিক পাস করার সাথে সাথে আমরা চিন্তায় পড়ে যাই যে কোন কলেজে ভর্তি করবো তাদের। অথচ আমাদের এলাকায় একটি কলেজ থাকলে এই চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। আমাদের এমপি সাহেবের কাছে এটা প্রত্যাশা করছি যে, তিনি যেন আমাদের এলাকার কলেজটির পাঠ কার্যক্রম শুরু করার ব্যবস্থা করেন দেন।

স্থানীয় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র শামীম আহমেদ বলেন, আমি ২০১৮ সালে এসএসসি পাস করেছি। এখন আমি পড়ছি জামালপুর সদরের একটি কলেজে। এতে সেখানে আমার থাকা-খাওয়া বাবদ অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় একটি কলেজ থাকলে হয়তো এই খরচের হাত থেকে আমার বাবা মা বেঁচে যেতো।

ঘুঘুরাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ওবায়দুর রহমান বলেন, আমার বিদ্যালয়সহ পার্শ্ববর্তী এলাকা মিলে এখানে প্রায় ১৪ উচ্চ বিদ্যালয় ও দুইটা দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। কিন্তু তার জন্য একটি কলেজও নেই। যদি এই এলাকায় একটি কলেজ চালু হয় তাহলে এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের হয়তো শেরপুর সদর, ময়মনসিংহ কিংবা নদ পার হয়ে জামালপুর গিয়ে কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হতো না।

মধ্যের চর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জানান, আমাদের এই ইউনিয়নটি চর অঞ্চল। এখানে অনেক লোকের বসবাস। এখান থেকে অনেক ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করে। আমাদের এই ইউনিয়ন তথা আশেপাশে কোনও ইউনিয়নে একটি কলেজ নেই। আমাদের এলাকার মন্মদ দে মহাবিদ্যালয়টি যদি পাঠদানের অনুমতি পায় তাহলে আমাদের ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকার মানুষের জন্য ব্যাপক উপকার হতো।

কলেজটি পাঠদানের অনুমতি না পাওয়া প্রসঙ্গে শেরপুর জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মেকছেদুর রহমানের কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি  জানান, যেসব কলেজ পাঠদানের অনুমতি পায় সেসব কলেজ আমাদের কাছে তালিকাভুক্ত থাকে। মন্মদ দে মহাবিদ্যালয় নামে কলেজটি আমাদের কাছে তালিকাভুক্ত হয়নি। যদি কলেজটি পাঠদানের অনুমতির জন্য আমাদের কাছে সহযোগিতা চায় তাহলে অবশ্যই আমরা এগিয়ে আসবো।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares