বৃহস্পতিবার, ২৭ Jun ২০১৯, ০৭:০১ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

জাতিসংঘের সম্মানজনক ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত ড. কাজী এরতেজা হাসান

জাতিসংঘের সম্মানজনক ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত ড. কাজী এরতেজা হাসান
প্রিন্ট করুন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে ১৯৪৫ সালে পৃথিবী জুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই গঠিত হয়েছিল জাতিসংঘ। সেই জাতিসংঘের সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ বা ‘মানবতার সেবক’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন ভোরের পাতা সম্পাদক- প্রকাশক এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ডেভেলমেন্ট কমিশনের চেয়ারপারসন ড. কাজী  এরতেজা হাসান। পাশাপাশি জাতিসংঘের ‘বিশ্ব শান্তির দূত’ হিসাবেও ভূষিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য এবং ধর্ম বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ড. কাজী এরতেজা হাসান।

গত রোববার মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের অংগ সংগঠন ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি ফর গ্লোবাল পিস বা ইউনিভার্সিটি অব ইউনিভার্সেল গ্লোবাল পিস আয়োজিত ৫ম বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে ড. কাজী এরতেজা হাসানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ জনকে নানা বিষয়ে অবদান রাখার জন্য সম্মানজনক এসব উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ থেকে এবার শুধুমাত্র ড. কাজী এরতেজা হাসানকেই ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। এছাড়া ভারতের তামিল নাডু রাজ্যের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ড. এম চুচালিংগামকে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড ইন হিউম্যান এক্সিলেন্স’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। ২৮ বছরের সুর্দীঘ আইনপেশায় সুনামের সঙ্গে মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ১৬৪৮ টি মামলার রায় দিয়েছেন। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অসমান্য এই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এ সম্মান দেয়া হয়েছে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে সিঙ্গাপুরের শেখ আলাউদ্দিন বিন ইয়াকুব, মালয়েশিয়ার লাই চি চিহ, উনং সি উইন, পিয়ং সিক ইয়েন, লিঙ্গিসুরিয়ার এস ও মুয়িয়ানি, জুলি মায়া নাগেশ্বরী সুপ্রিয়া, দ্যাতো ড. মোহাম্মদ রাফি বিন ওরফে ড. মোহাম্মদ ফায়জাল, ড. সুপিয়া ভিরাস্বামী, তুয়ান হাজী জিয়াস আব্দুল করিম, ড. ইয়িক রেন থ্যাঙ ক্রিশ্চিয়ানা, ড. ওয়ং সং জুইন ডেভিস এবং দ্যাতো শ্রী ড. মারভিন ইয়িপ কেন ইয়ং।

একমাত্র বাংলাদেশি হিসাবে বিশ্ব শান্তির দূত হিসাবে মনোনীত এবং ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত হওয়া ড. কাজী এরতেজা হাসান বলেন, আমার এই অর্জন বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে মানবাধিকার লংঘনের শিকার হওয়া নির্যাতিত মানুষের প্রতিই উৎসর্গ  করছি। এছাড়া নিজের গর্ভধারিনী মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ মানেই যিনি, মাদার অব হিউম্যানিটিসহ হাজারো উপাধিতে ভূষিত জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ তার মতো একজন ধর্মপ্রাণ নেত্রী যিনি একক নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন তার কাছ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছি। আমি কি পেলাম, কি পেলাম না তা নিয়ে কোনোদিন ভাবি না। মানুষের কল্যাণে সারাজীবন নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই বলেও জানান ড. কাজী এরতেজা হাসান।

উল্লেখ্য, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক, ইরান বাংলাদেশ চেম্বারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ডেভেলেপমেন্ট কমিশনের চেয়ারপারসন ড. কাজী এরতেজা হাসান গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিরবে কাজ করে যাওয়া এই মানুষটিকে আন্তজার্তিক পর্যায়ে সম্মানা পাওয়ায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জল থেকে উজ্জলতর হয়েছে বলে মনে করেন তার শুভাকাঙ্খী থেকে সমালোচকরাও।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares