মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

যত সমস্যাই হোক বিমানেই ভ্রমণ করব: প্রধানমন্ত্রী

যত সমস্যাই হোক বিমানেই ভ্রমণ করব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি যখন বিমানে উঠি, কখনো নাটবল্টু থাকে না, কখনো জ্বালানি সমস্যা হয়। কখনো পাইলটের পাসপোর্ট থাকে না। আমাকে অনেকেই বিমানে উঠতে নিষেধ করেন। আমি তাদের বলে দিয়েছি, যত সমস্যাই হোক আমি বিমানেই ভ্রমণ করব। যদি মৃত্যু হয়, দেশের বিমানেই হোক। অন্তত এটা তো বলতে পারব, নিজ দেশের বিমানে মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৯ জুন) বিকেলে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক জাপান, সৌদি আরব, ও ফিনল্যান্ড সফরের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেন।

পাইলটের পাসপোর্ট না থাকা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের ভুল-ভ্রান্তি হতে পারে। কিন্তু আমি যখনি জানতে পারি, তখন আমাদের দেশের ইমিগ্রেশনের যারা দায়িত্বে ছিল তারা কেন চেক করেনি খোঁজ নিতে বলি। আমি বলেছি যত ভিভিআইপি হোক, নামের পাশে যত ভি যুক্ত হোক, প্রত্যেককে ভালোভাবে ঠিকমতো ভিসা-পাসপোর্ট আছে কি না, তা চেক করতে।

তিনি বলেন, আমরা এখন দেশের বিমানকে উন্নত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং নতুন রুটে বিমান পরিচালনার চিন্তা করছি। নতুন নতুন বিমান কিনে দিয়েছি। আমাদের দেশের মানুষ বিমানে উঠার জন্য পাগল। অথচ বিমানে অনেক সময় সিট খালি থাকে। অথচ মানুষ সিট পায় না। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে এসব কারসাজি করা হয়। আমি খোঁজ নিয়ে এসব দমন করছি। পরে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। তাদের রাগ ক্ষোভ থাকতে পারে। যখনি বিদেশে যাই তখনি একটা ঘটনা ঘটে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানের চোরাচালান বন্ধ করেছি। সোনার বার উদ্ধার করা হয় কয়দিন পরপর, যদিও এতে আমাদের রিজার্ভ বাড়ছে। তারপরও আমি এসব বন্ধ করেছি। তারা তো এখন চুপ করে বসে থাকেনি। তার পরও আমি কিন্তু পিছপা হব না। দীর্ঘদিন যারা বিমানটাকে নিয়ে খেলত, এখন তাদের আঁতে ঘা লেগেছে। তারা এ অঘটনগুলো ঘটাচ্ছে।

ঈদুল ফিতরে দেশের বাইরে থাকলেও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘ঈদের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি আসতে থাকে। গোয়েন্দারা এসব নিয়ে কাজ করেছে। আমি দূরে থাকলেও ঈদের নামাজের সময় চিন্তিত ছিলাম। এ ব্যাপারে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। সুন্দরভাবে নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। নামাজ শেষ হওয়ার পরই আমার কাছে ম্যাসেজ গেছে। জানতে চেয়েছি কোথায় কী অবস্থা। কারণ শোলাকিয়াতে যা হয়েছিল সেটা তো সবাই জানে।’

তিনি বলেন, জাপান সফর যেমন আমরা সফল হয়েছি চীনেও হব। ইতোমধ্যেই আমার দাওয়াত ছিল। কিন্তু সেই সময় সম্ভবত আমাদের পার্লামেন্টের ছিল জরুরি কিছু বিষয়। আমরা যেতে পারিনি। আগামী জুলাই মাসে আবার দাওয়াত দিয়েছে চীনের প্রেসিডেন্ট। ৩০ জুন আমাদের বাজেট পাস হওয়ার পর ওখানে ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার সামিট হবে। তারিখটা ঠিক হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares