রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কুড়িগ্রামে চাল ফুঁটো, ছাতা মাথায় চলছে পাঠদান

কুড়িগ্রামে চাল ফুঁটো, ছাতা মাথায় চলছে পাঠদান

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির টিনের চাল ফুঁটো থাকায় এই বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি পড়ছে শ্রেণি কক্ষে। গত দুই ধরে দিন ব্যাপী ভারী বৃষ্টিপাত কারণে শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কক্ষে ছাতা মাথায় দিয়ে পড়াশোনা করছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকগণ।

সরেজমিনে মঙ্গলবার স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে, একটি নতুন ভবন থাকার পড়েও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পুরাতন আধাঁপাঁকা টিনসেডের কক্ষে পাঠদান পরিচালনা করছেন শিক্ষকগণ। এই পুরাতন টিনসেড কক্ষের টিনের চালার ফুটো থাকায় বৃষ্টির সময় পানি প্রবেশ করে শ্রেণী কক্ষে। এতে করে অনেকটাই বাধ্য হয়ে ছাতা মাথায় দিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।

চতুর্থ শ্রেণীর আলামিন, আরিফুল ইসলাম ও মিতু খাতুনসহ অনেক শিক্ষার্থী বলেন, শ্রেণি কক্ষে বৃষ্টির পানি পড়ায় আমরা গত দুই দিন ধরে ছাতা মাথায় ক্লাস করছি। ছাতা মাথায় দেওয়ার পড়েও পানি পড়ে বই খাতা ও পোশাক ভিজে যায়। এরপরেও আমরা বৃষ্টিতে ভেঁজে শ্রেণী কক্ষে ক্লাস করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পি,ভি রুনী সাঈদা বেগম জানান, আমার এক বছর হল এ বিদ্যালয় আসার। গত বছর ধরে পুরাতন টিনসেড ঘরের সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও কোন সুফল পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই বৃষ্টির মধ্যেও ক্লাস নিতে হতে হচ্ছে। বইখাতাসহ নিজেরা যেন ভিজে না যায় সেজন্য ক্লাসে অনেকেই বাড়ি থেকে ছাতা নিয়ে এসে ক্লাস করছে।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রাশেদুল ইসলাম মন্ডল বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়টিতে যাই। পুরাতন টিন সেডের ঘরে পাঠদান না করার জন্য প্রধান শিক্ষককে নিষেধ করা হয়েছে এবং দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণি কক্ষ গুলো সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares